কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিলটি উপস্থাপন করতেই ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন তৃণমূল সাংসদরা।

শেষ আপডেট: 22 August 2025 10:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিধানকে কেন্দ্র করে আনা ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল ঘিরে এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্যসভাও। লোকসভার পর উচ্চকক্ষেও বিলটির বিরোধিতা জানাল তৃণমূল কংগ্রেস।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিলটি উপস্থাপন করতেই ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন তৃণমূল সাংসদরা। হাতে ছিল ‘তড়িপার, দূর হটো’ লেখা পোস্টার, সঙ্গে ওঠে জোরালো ‘অমিত শাহ গো ব্যাক’ স্লোগান।
দলীয় সূত্রের খবর, শুধু এই সংবিধান সংশোধনী বিল নয়, এর সঙ্গে আনা আরও দু’টি বিল নিয়েও যৌথ সংসদীয় কমিটিতে তৃণমূল কোনও প্রতিনিধি দেবে না। দলের এক শীর্ষ নেতা এ প্রসঙ্গে বলেন, “এই বিল কোনও দিনই আইন হবে না। তাই আলোচনারও প্রয়োজন নেই। সাংসদদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, এখানে সময় নষ্ট করার মানে হয় না। যদি কোনওভাবে বিল পাস করানোও হয়, সুপ্রিম কোর্ট একে উড়িয়ে দেবে।”
সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে কংগ্রেসের নমনীয় অবস্থানেও বিরক্ত তৃণমূল শিবির।
এর আগে লোকসভায় দলের উপদলনেতা শতাব্দী রায় ও সাংসদ মিতালী বাগকে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল। বুধবারই দল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। সাংসদ আবু তাহের খানের ওপরও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অমিত শাহ যখন বিলটিকে সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন, তখনই ওয়েলে নেমে কাগজ ছিঁড়ে উড়িয়ে দেন তৃণমূল সাংসদরা। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। হট্টগোলের মধ্যেই সরকারপক্ষ ধ্বনিভোটে অনলাইন গেমিং বিল পাশ করিয়ে নেয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি হয়ে যায়।
রাজ্যসভার তৃণমূল দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন পরে জানান, “সরকার আমাদের হুমকি দিয়েছিল - ওয়েলে কেউ না নামলে মার্শাল নামবে না। কিন্তু তৃণমূল কোনও গোপন সমঝোতা করে না। তাই আমরা ওয়েলে নেমেছি, আমিও আজ প্রতিবাদে যোগ দিয়েছি।”
এছাড়া, ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশের আমন্ত্রণে চা-চক্রেও অংশ নেয়নি তৃণমূল।