২০২১ সালের ৫ জুন মালদহের মানিকচকে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 July 2025 17:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) মামলায় এই প্রথম সাজা ঘোষণা। তৃণমূল নেতাকে (TMC Leader) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মালদহ পকসো কোর্ট (Maldah POCSO Court)। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন ওই নেতা। শনিবার সাজা ঘোষণা হল। অনাদায় আরও ৬ মাস জেলে থাকতে হবে তাঁকে।
২০২১ সালের ৫ জুন মালদহের মানিকচকে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পরে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্ত শুরু করলে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। শনিবার সেই পরিপ্রেক্ষিতেই সাজা ঘোষণা করল মালদহের পকসো আদালত।
২০২১ সালে নির্বাচনের পর বাংলায় ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করেছিল, তৃণমূল মদতপুষ্ট গুন্ডারা এই হিংসার ঘটনার সঙ্গে জড়িত। সেই সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, খুনের ঘটনা ঘটে বলে দাবি। বাদ যায়নি মালদহ। সেখানেই এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির এক পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠছিল। ৪ বছর পর সাজা পেলেন দোষী সাব্যস্ত নেতা।
কয়েক দিন আগেই ২১-র ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বেলেঘাটার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের ঘটনায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। শনিবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিচারকের চরম ভর্ৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁদের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েই কার্যত প্রশ্ন তুলে দেয় আদালত।
আদালতের প্রশ্ন, ''৪ বছরে কাউকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেছেন? কাউকে গ্রেফতার করতে হবে, প্রয়োজন মনে করেছিলেন?'' জবাবে সিবিআই-এর তরফে জানানো হয়, আগে যে অফিসার তদন্ত করছিলেন তিনি মনে করেননি কাউকে গ্রেফতার করতে হবে, কারণ তাঁরা সহযোগিতা করছিলেন।
এই বক্তব্য শুনে বিচারক ক্ষোভের সুরে বলেন, ''এটা কি মজা হচ্ছে? ৪ বছর পরে চার্জশিট দিয়েছেন! তার মানে এখনও ওয়ারেন্ট জারির প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন?'' এরপরই সিবিআই-কে চার্জশিটের কপির সঙ্গে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।