Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

জন্মের পর বেড়েছিল বিলিরুবিনের মাত্রা, রক্ত দিয়ে তিনদিনের শিশুর প্রাণ বাঁচালেন ডাক্তারবাবু

নিজের রক্ত দিয়ে তিন দিনের শিশুর প্রাণ বাঁচালেন ডাক্তারবাবু। চিকিৎসকের এমন পদক্ষেপে প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে। 

জন্মের পর বেড়েছিল বিলিরুবিনের মাত্রা, রক্ত দিয়ে তিনদিনের শিশুর প্রাণ বাঁচালেন ডাক্তারবাবু

শেষ আপডেট: 9 January 2024 17:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মেদিনীপুর: প্রায়ই চিকিৎসার গাফিলতির নিয়ে বহু অভিযোগ শোনা যায়। অনেক সময় দেখা যায় রোগীর আত্মীয়রা হাসপাতাল ভাঙচুর করছেন। কিন্তু ডাক্তারবাবুদের মানবিক মুখ দেখাও খুব বিরল ঘটনা নয়। সম্প্রতি এক শিশুকে বাঁচাতে চিকিৎসক যা করলেন তা নজির হয়ে থাকার মতো ঘটনা। নিজের রক্ত দিয়ে তিন দিনের শিশুর প্রাণ বাঁচালেন ডাক্তারবাবু। চিকিৎসকের এমন পদক্ষেপে প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে। 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদা এলাকার এক দম্পতি সন্তানের জন্ম দেন। জন্মের পর থেকে ওই শিশুর বিলিরুবিনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। তিন দিনের মধ্যে শিশুর রক্তে বিলিরুবিন অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় শিশুর প্রাণ সংশয় দেখা দেয়। শিশুর বাবা-মা সন্তানকে নিয়ে কোলাঘাটের বেসরকারি নার্সিংহোমের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রবীর ভৌমিকের সঙ্গে দেখা করেন। 

প্রবীরবাবু শিশুটিকে পরীক্ষা করার পরে বুঝতে পারেন, তাকে বাঁচাতে গেলে রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। রাত হয়ে যাওয়ায় রক্ত জোগার করা মুশকিল ছিল। এরকম পরিস্থিতি যে কোনও সময়ই তৈরি হতে পারে ভেবে ডাক্তারবাবু নিজেই তাঁর রক্ত সংরক্ষিত রেখেছিলেন নার্সিংহোমে। উপায় না দেখে ডাক্তারবাবু সদ্যোজাতকে নিজের রক্ত দিতে উদ্যোগী হন। নতুন রক্ত শরীরে প্রবেশ করতেই শিশুর দেহে বিলিরুবিনের মাত্রা কমতে থাকে। 

ডাঃ প্রবীর ভৌমিক বলেন, ''শিশুর শরীরে বিলিরুবিনের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। রক্ত এক্সচেঞ্জ না করলে ব্রেনে প্রভাব পড়ত। গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় রক্ত সংগ্রহ করতে পরিবারকে সমস্যায় পড়তে হত। তাই নিজেই রক্ত দিয়েছি।''


```