Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কড়েয়া গণধর্ষণ মামলা: যে গাড়িতে 'কুকীর্তি' সেটাই পায়নি পুলিশ! বেকসুর খালাস তিন অভিযুক্ত

২০১৪ সালের ঘটনা। কড়েয়া থানা এলাকার বুন্ডেল গেটে রুটি কিনতে গিয়েছিল এক কিশোরী। অভিযোগ, সেই সময় তিন যুবক তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলে। 

কড়েয়া গণধর্ষণ মামলা: যে গাড়িতে 'কুকীর্তি' সেটাই পায়নি পুলিশ! বেকসুর খালাস তিন অভিযুক্ত

প্রতীকী ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 15 July 2025 18:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর কলকাতায় ১০ বছর আগে ঘটে যাওয়া কড়েয়া গণধর্ষণ মামলায় (Karaya Rape Case) তিন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস (Acquittal) করল আদালত। সরকারি আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে পুলিশের গাফিলতির কারণেই এই রায়। বিশেষ করে যে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল, সেটি উদ্ধার করতে না পারার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

২০১৪ সালের ঘটনা। কড়েয়া থানা এলাকার বুন্ডেল গেটে রুটি কিনতে গিয়েছিল এক কিশোরী। অভিযোগ, সেই সময় তিন যুবক তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলে। কিশোরীর দাবি ছিল, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গাড়ির ভিতরেই তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

ঘটনার পরে পুলিশ একজনকে গ্রেফতারও করে। অভিযুক্ত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি জামিন পেলেও, অভিযোগ ওঠে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পরে ফের ওই কিশোরীর এক আত্মীয়াকে ধর্ষণ করেন তিনি। সেই মামলায় ফের গ্রেফতার হয়েছিলেন মূল অভিযুক্ত এবং দীর্ঘদিন জেল হেফাজতে ছিলেন।

তবে আদালতে চলা বিচারপর্বে উঠে আসে, পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু গাফিলতি রয়েছে। মূল প্রমাণ হিসেবে যে গাড়ির কথা বলা হয়েছিল, তা উদ্ধার হয়নি। আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত কোনও নিশ্চিত প্রমাণও পেশ করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। ফলে তথ্যপ্রমাণের অভাবে তিন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দিল আদালত।

ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা ও তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে। বিশেষজ্ঞমহল বলছে, এত বড় একটি ঘটনায় তদন্তে এই ধরনের গাফিলতি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি না হলে আইন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে, এই প্রশ্নও উঠছে। 


```