Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

সঙ্কর্ষণ ঠাকুর প্রয়াত! সাংবাদিকতায় চার দশকের উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি মাত্র ৬৩ বছর বয়সে

টেলিগ্রাফ সম্পাদক সঙ্কর্ষণ ঠাকুর (Journalist Sankarshan Thakur) প্রয়াত। সাংবাদিকতা ও লেখালিখিতে চার দশকের অবদান রেখে গেলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মমতা, ওমর আবদুল্লা-সহ বহু নেতা।

সঙ্কর্ষণ ঠাকুর প্রয়াত! সাংবাদিকতায় চার দশকের উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি মাত্র ৬৩ বছর বয়সে

সঙ্কর্ষণ ঠাকুর

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 8 September 2025 16:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ-এর সম্পাদক সঙ্কর্ষণ ঠাকুর প্রয়াত। সোমবার সকালে গুরগাঁওতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিশিষ্ট সাংবাদিক। বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মানলেন তিনি।

২০২৩ সালে দ্য টেলিগ্রাফ-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সঙ্কর্ষণ। তার আগে তিনি জাতীয় বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন সেখানেই। পেশাদারিত্ব আর কলমের দৃঢ়তায় তিনি দ্রুতই পাঠকের আস্থা অর্জন করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সাংবাদিকতার আকাশে তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।

প্রথম পদক্ষেপ থেকে শীর্ষে

১৯৮৪ সালে সানডে পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন সঙ্কর্ষণ ঠাকুর। বিহার ও কাশ্মীর বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, মাঠঘাটের অভিজ্ঞতা এবং লেখার গভীরতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। বিহার রাজনীতির সূক্ষ্ম টানাপোড়েন হোক বা কাশ্মীরের অস্থির পরিস্থিতি— সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস।

২০০১ সালে তাঁর সাংবাদিকতা জগতে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পান ‘প্রেম ভাটিয়া’ পুরস্কার। দু'বছর পরে, ২০০৩ সালে কাশ্মীর নিয়ে গবেষণাধর্মী কাজের জন্য লাভ করেন ‘আপ্পান মেনন ফেলোশিপ’।

লেখক হিসেবে সমান খ্যাতি

সঙ্কর্ষণ ঠাকুর শুধু সাংবাদিকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রাঞ্জল লেখকও। লালু প্রসাদ যাদবের উপর তাঁর লেখা বই “The Making of Laloo Yadav, The Unmaking of Bihar” রাজনৈতিক মহলে বিশেষ সাড়া ফেলেছিল। পরবর্তীতে নীতীশ কুমারের জীবনী “Single Man: The Life and Times of Nitish Kumar of Bihar” তাঁকে নতুনভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়।

শোকের ছায়ায় রাজনৈতিক মহল

সঙ্কর্ষণের প্রয়াণে শোক নেমে এসেছে দেশজুড়ে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকপ্রকাশ করে বলেছেন, “তিনি ছিলেন মেধাবী এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক, সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাসের উপর তাঁর লেখা ছিল উল্লেখযোগ্য।” তাঁর পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

শোকবার্তা পাঠিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও। তিনি বলেন, সংকর্ষণ তাঁদের মধ্যে একজন, যিনি কাশ্মীরের প্রতিটি প্রান্তে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতির ছবি তুলে ধরেছেন। “কারও কথার ওপর ভরসা না করে তিনি খুঁজে এনেছেন সত্য,” মন্তব্য ওমরের।

জাতীয় স্তরের প্রতিক্রিয়া

সঙ্কর্ষণের মৃত্যুতে এডিটর্স গিল্ড অফ ইন্ডিয়া ও প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সাংসদ শশী থারুর টুইট করে জানিয়েছেন তাঁর প্রয়াণে সাংবাদিকতা জগৎ এক বিরল প্রতিভাকে হারাল।


```