কমিশন সূত্রে খবর, গোটা প্রক্রিয়ায় নজর রাখতে প্রায় ৪ হাজার মাইক্রো রোল অবজার্ভার (Micro Roll Observer) নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে।
.jpeg.webp)
সিইও মনোজ আগরওয়াল
শেষ আপডেট: 19 December 2025 19:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে চলতি বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) পর্বে শুনানির উপর কড়া নজরদারির প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশন সূত্রে খবর, গোটা প্রক্রিয়ায় নজর রাখতে প্রায় ৪ হাজার মাইক্রো রোল অবজার্ভার (Micro Roll Observer) নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও প্রাথমিক হিসেবে এই সংখ্যা ৩,৩০০-র আশপাশে থাকলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। এই নিয়োগ নিয়ে শুক্রবারই কমিশনের অন্দরে বৈঠক চলছে বলে জানা গিয়েছে।
মাইক্রো অবজার্ভারদের কাজ হবে শুনানি পর্বের প্রতিটি ধাপ নজরে রাখা। কোথাও কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাঁরা প্রথমে সংশ্লিষ্ট ইআরও ও এইআরও-কে জানাবেন, প্রয়োজনে বিষয়টি ডিইও-র নজরেও আনবেন। কমিশনের আশা, শনিবারের মধ্যেই মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে।
এদিকে শুনানির জন্য নোটিস পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে শনিবার থেকেই। তবে প্রথম শুনানি ২৫ ডিসেম্বরের আগে হচ্ছে না। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নোটিস পাঠানোর পর সংশ্লিষ্টদের অন্তত সাত দিনের সময় দেওয়া হবে। শুনানি পর্বে সিসিটিভি বসানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে আপাতত সিসিটিভি না থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
অন্যদিকে, বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার ৯৪ নম্বর বুথের বিএলও বিতর্কে শুক্রবার কমিশনের দফতরে তলব করা হয় মোট ছ’জনকে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন ইআরও, তিনজন এইআরও এবং দুইজন বিএলও। অ্যাডিশনাল সিইও-র সামনে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেছেন তাঁরা।
অভিযোগ, প্রথমে রামনগর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সোমা সেনকে বিএলও করা হয়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী দেবী হালদারকে বিএলও হিসেবে নিযুক্ত করা হলেও, তাঁর বদলে একাধিক ফর্মে সোমা সেনের সই থাকার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে কমিশনের তলব বলে মনে করা হচ্ছে।
কমিশন সূত্রের দাবি, রাজ্যে এসআইআর পর্ব ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই নজিরবিহীন ভাবে এত সংখ্যক মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত। পুরো শুনানি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই কড়া নজরদারির পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন।