
গ্রাফিক্স, দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 22 February 2025 12:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অহেতুক হেডফোন (headphones) ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। যার ফলে শ্রবণ ক্ষমতা তো বটেই চোখের দৃষ্টিশক্তিও কমে যেতে পারে ব্যবহারকারীর। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health)।
সূত্রের খবর, এবিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন করার জন্য প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের প্রধানদের একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। সেখানে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, সারাদিনে ২ ঘণ্টার বেশি হেডফোন ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে শ্রবণশক্তির পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তিও কমে যেতে পারে ব্যবহারকারীর। এজন্য সকলকে সচেতন করার কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।
মন্ত্রক সূত্রের খবর, সম্প্রতি অল্প বয়েসিদের মধ্যেও দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া এবং শ্রবণ শক্তি হ্রান্স পাওয়ার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করেন। এরপরই এবিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অনেকেই রাতে ঘুমোনোর সময়েও কানে হেডফোন গুঁজে গান শোনেন। তা না হলে নাকি ঘুম আসে না। একইভাবে ট্রেনে, বাসে অনেককেই দেখা যায়, কানে হেডফোনে ঘণ্টার পর ঘ্টা গান শুনতে বা সিনেমা দেখতে। একইভাবে অফিসেও অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কানে হেডফোন গুঁজে কাজ করেন।
মন্ত্রকের কর্তাদের মতে, হেডফোনের ভলিউম ৬০ ডেসিবেলের উপর বাড়ানো উচিত নয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই হেডফোনে ১০৫ ডেসিবেলের কাছাকাছি ভলিউমে রাখেন। এর ফলে শ্রবণশক্তির পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তির ওপরেও চাপ তৈরি হয়।
কারণ, হেডফোন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ তৈরি করে যা মাথার জন্য খুবই ক্ষতিকর। আবার হেডফোন নোংরা হয়ে গেলে তা থেকে ইনফেকশন হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই সচেতনতার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুব বেশি হলে ২ ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। তাও একটানা নয়, বড়জোর ৩০ মিনিট।