
শেষ আপডেট: 20 July 2023 11:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই ২১ জুলাই। ইতিমধ্যে লালগড় থেকে লালগোলা, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে কলকাতায় আসতে শুরু করেছেন তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকরা। পঞ্চায়েত ভোটের ফল প্রকাশের পর এই সমাবেশ। স্বাভাবিকভাবে সমাবেশ ঘিরে কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো। এমন আবহে প্রতিবারের মতো এবারও বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে সব রাজনৈতিক দলকে আসার আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।
এদিন দুপুরে কয়েক মিনিটের ভিডিও বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী দলের কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে আমরা অনেক কর্মীকে হারিয়েছি। তাদের আত্ম বলিদানকে শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতি বছর আমরা ২১ জুলাই শহিদ স্মরণের আয়োজন করি। চারিদিক থেকে যে খবর পাচ্ছি, তাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হবেন কালকের সমাবেশে। তাই সকলকে বলব, তাড়াহুড়ো করবেন না। এমনিতেই বর্ষার আবহাওয়া। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে প্রত্যেককে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দলীয় কর্মসূচিতে আসার আহ্বান জানিয়ে আদতে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থকদেরও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেত্রী। আরেকটি অংশের মতে, পরোক্ষে সকল দলকে আহ্বান জানিয়ে সর্বভারতীয়স্তরে তৈরি হওয়া অ-বিজেপি জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যদিও কারও কারও মতে, উনি তো আলাদা করে কোনও দলের নাম বলেননি। তাই বিষয়টি এভাবে দেখা ঠিক নয়। দলের এক নেতার কথায়, ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নেত্রীর আবেগ। সম্ভবত, সেই আবেগ থেকেই উনি এমন কথা বলেছেন।
বস্তুত, ২১শে জুলাইয়ের শহিদ দিবসকে ঘিরে গতকাল বুধবার থেকেই বিভিন্ন জেলার মানুষ কলকাতায় আসতে শুরু করেছেন। দলের তরফে বিভিন্ন পয়েন্টে কর্মীদের থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি চলছে সভাস্থলের। এলাকা জুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সভাস্থলের আশে পাশে লাগানো হয়েছে প্রচুর সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়া ড্রোন দিয়েও চলবে নজরদারি। সভা শুরুর ২৪ ঘন্টা আগে থেকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সভাস্থলের আশেপাশে।
আরও পড়ুন: তদন্তের মাঝপথে সিবিআই কর্তার বদলি, কয়লা-গরু পাচার মামলায় কি নতুন মোড়!