Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

‘মা-সন্তান দু’জনেরই সুস্থ ভাবে বাঁচার অধিকার সংবিধানে আছে’, ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জটিল জিনগত রোগে আক্রান্ত হলেও গর্ভস্থ ভ্রূণ অনেকটাই পরিণত। এই অবস্থায় মায়ের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে ভ্রূণটির বাঁচার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। এই মর্মে বেলেঘাটার বাসিন্দা ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের আর্জি প্রথমে খারি

‘মা-সন্তান দু’জনেরই সুস্থ ভাবে বাঁচার অধিকার সংবিধানে আছে’, ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট

শেষ আপডেট: 17 February 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জটিল জিনগত রোগে আক্রান্ত হলেও গর্ভস্থ ভ্রূণ অনেকটাই পরিণত। এই অবস্থায় মায়ের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে ভ্রূণটির বাঁচার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। এই মর্মে বেলেঘাটার বাসিন্দা ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের আর্জি প্রথমে খারিজ করে দিলেও শেষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে, ‘‘সংবিধানে মা এবং সন্তান দু’জনেরই সুস্থভাবে, মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। পশুর মতো বেঁচে থাকার কথা সংবিধানে বলা হয়নি।’’ গর্ভধারণের ২৫ সপ্তাহের মাথায় মহিলা জানতে পারেন তাঁর গর্ভস্থ ভ্রূণের জটিলতা রয়েছে। এই অবস্থায় শিশুটি ভূমিষ্ঠ হলে, সে জন্মাবে ‘ডাউন সিন্ড্রোম’ নিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী ভ্রূণের কোনও জটিলতা থাকলে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু, ভ্রূণের বয়স ২১ সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলে, গর্ভপাত করানোর জন্য আদালতের অনুমতি দরকার হয়। সেই সময় পার হয়ে যাওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই মহিলা। গর্ভস্থ ভ্রূণের পরিস্থিতি জটিল হলে কী করণীয় তা ঠিক করতে বিশেষজ্ঞদের মত নেওয়া বাধ্যতামূলক। সাধারণত, পরীক্ষার রিপোর্টে গর্ভস্থ ভ্রূণের ত্রুটি দেখার পরে গর্ভপাত করাতে চাইলে সরকারি বিশেষজ্ঞ কমিটির মত প্রয়োজন। বিচারপতি চক্রবর্তীর নির্দেশে এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ড ওই মহিলার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যে রিপোর্ট পেশ করে তাতে স্পষ্ট ছিল, সময় পেরিয়ে যাওয়া গর্ভপাত করানো উচিত হবে না। সেই রিপোর্ট আদালতে পেশের পর গর্ভপাতের আর্জি খারিজ করে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন মহিলার আইনজীবী কল্লোল বসু ও অপলক বসু। কল্লোলবাবু জানান, ভ্রূণটির ক্রোমোজোমে যে জটিলতা আছে, তাতে সে ‘ডাউন সিন্ড্রোম’ নিয়ে জন্মালে তার উপযুক্ত চিকিৎসা ও পরিচর্যা করার আর্থিক সঙ্গতি পরিবারটির নেই। গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়ার পর বিচারপতিরা এ দিন জানান, মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলা গর্ভস্থ সন্তান প্রসব হওয়ার পরই তাকে চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হবে। এবং চিকিৎসার ফল কী হবে, সেই সম্পর্কেও চিকিৎসকরা নিশ্চিত নন। এই অবস্থায় সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তার সঙ্গে মাকেও মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। কাজেই গর্ভস্থ সন্তানের অধিকার যেমন দেখতে হবে, তেমনি মায়ের অধিকার দেখাটাও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 


```