দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত রবিবার এক অটোচালক মহারাষ্ট্রের ঠানে জেলার কল্যাণ অঞ্চলে পুলিশের সঙ্গে যোগযোগ করেন। তিনি জানান, অটোর এক যাত্রী রাস্তায় একটি স্যুটকেস ফেলে গিয়েছেন। তাঁকে চালক জিজ্ঞাসা করেছিলেন, স্যুটকেসটা ফেলে যাচ্ছেন কেন? তিনি জবাব না দিয়ে দৌড়ে পালিয়েছেন। স্যুটকেস থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। সন্দেহ হওয়ায় তিনি পুলিশকে খবর দিচ্ছেন।
পুলিশ স্যুটকেসটি উদ্ধার করে দেখে, তার ভিতরে এক মহিলার দেহের নিম্নাংশ ভরা আছে। মৃতের মাথা ও দেহের ওপরের অংশ মিসিং। পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ তদন্তে নামে। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ ও আশপাশের রেল স্টেশনগুলির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সোমবার আটক করা হয় অরবিন্দ তেওয়ারি নামে এক ব্যক্তিকে। ৪৭ বছর বয়সী অরবিন্দ ঠানের তিতওয়ালা নামে এক জায়গার বাসিন্দা। তিনি চাকরি করেন মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে।
পরে পুলিশ জানায়, স্যুটকেসে ভরা দেহটি ছিল অরবিন্দের মেয়ে প্রিয়ঙ্কার। তার বয়স ছিল ২২ বছর। পুলিশের মুখপাত্র বলেন, "মেয়ের বয়ফ্রেন্ডকে মেনে নিতে পারেননি অরবিন্দ। তিনি মেয়েকে খুন করে তার দেহ টুকরো টুকরো করে কাটেন। কাটা টুকরোগুলি দূরে কোথাও ফেলে আসার চেষ্টা করেছিলেন।"
পুলিশের ডিসি (ক্রাইম) দীপক দেওরাজ বলেন, প্রিয়ঙ্কার দেহের অন্যান্য অংশগুলি উদ্ধারের চেষ্টা হচ্ছে। যে অস্ত্র দিয়ে তার দেহটি টুকরো টুকরো করা হয়েছিল, তারও খোঁজ করা হচ্ছে। মাত্র ৩০ ঘণ্টার মধ্যে হত্যারহস্যের মীমাংসা করার জন্য তদন্তকারী টিমকে পুরস্কার দেবেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার বিবেক ফানসালকার।