সিআরপিএফ শিবির লক্ষ করে গ্রেনেড হানা, ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পুলওয়ামা, অল্পের জন্য এড়ানো গেল প্রাণহানি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আচমকা বীভৎস শব্দে কেঁপে উঠল পুলওয়ামা। বহু দূর থেকে এই শব্দ শুনে চমকে ওঠেন স্থানীয়রা। প্রথমে বোঝা যায়নি, ঠিক কীসের শব্দ হয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। পরে জানা যায়, ত্রালের বটাগুন্ড সিআরপিএফ ক্যাম্প লক্ষ্য করে গ্রেনেড হাম
শেষ আপডেট: 23 June 2020 01:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আচমকা বীভৎস শব্দে কেঁপে উঠল পুলওয়ামা। বহু দূর থেকে এই শব্দ শুনে চমকে ওঠেন স্থানীয়রা। প্রথমে বোঝা যায়নি, ঠিক কীসের শব্দ হয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। পরে জানা যায়, ত্রালের বটাগুন্ড সিআরপিএফ ক্যাম্প লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এক সিআরপিএফ কর্তা জানিয়েছেন, শিবিরের সামনেই ফেটে যায় গ্রেনেডটি। অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। নইলে প্রাণহানি হতে পারত।
সোমবার রাতে সাড়ে ৮টা নাগাদ ঘটা এই সম্ভাব্য হামলার পরপরই শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন সিআরপিএফেও জওয়ানরা। ঘটনার পরেই সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশকেও সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বহু রাস্তা। এলাকায় চলছে সেনা-পুলিশের তল্লাশি।
কাশ্মীরে সিআরপিএফকে টার্গেট করে গ্রেনেড হামলা নতুন নয়। বারবারই কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা টার্গেট হয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে অনন্তনাগে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। কোনও প্রাণহানি না হলেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীর পাঁচ জওয়ান। এর পরে ফেব্রুয়ারিতেই আরও একবার সিআরপিএফকে নিশানা করেছিল জঙ্গিরা। শ্রীনগরের লালচকের প্রতাপ পার্কে সিআরপিএফের একটি ব্যাটেলিয়নের উপর গ্রেনেড ছুড়ে পালায় জঙ্গিরা। জখম হন দুই জওয়ান ও দুই সাধারণ মানুষ। এর পরে সোমবার ফের একই চেষ্টা।
অন্যদিকে, সোমবার সকাল থেকেই সীমান্তে পাক সেনা ব্যাপক গোলাবর্ষণ শুরু করেছে। অভিযোগ, একাধিক সেক্টরে বিনা প্ররোচনাতে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে আক্রমণ হেনে চলেছে পাক সেনাবাহিনী। সীমান্ত সংলগ্ন একাধিক গ্রাম এবং সেনা ছাউনিগুলি টার্গেট করে অস্ত্র ছুড়ছে পাকিস্তান সেনা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। এখনও কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।
এসবের পাশাপাশি, সোমবার সকাল থেকে ফের জঙ্গিদমনের তৎপরতাও শুরু হয় ভারতীয় সেনা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফে। অনন্তনাগে এনকাউন্টারও চলে। কুলগামেও দু'টি আলাদা এনকাউন্টারে চার জঙ্গি নিহত হয়েছে। প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
এসবের জেরেই এদিন সন্ধ্যার গ্রেনেড হানা কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও দল এই হামলার দায় স্বীকাপ করেনি।