Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

TET: সমস্যা সমাধানে অনীহা দেখাচ্ছে রাজ্য-কেন্দ্র উভয় সরকারই, অভিযোগ শিক্ষকদের, বিক্ষোভ

প্রতিবাদীদের বক্তব্য, তারা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করছেন যেখানে বলা হয়েছে—সকল শিক্ষকদের টেটের আওতায় আনা হবে। তাদের যুক্তি, টেট পরীক্ষা ২০১০ সাল থেকে চালু হয়েছে। সেক্ষেত্রে যারা ২০১০ সালের আগে নিয়োগ পেয়েছেন এবং তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী চাকরি পেয়েছেন, তাদের আবার টেট পরীক্ষায় বসে চাকরির বৈধতা প্রমাণ করার কোনো অর্থ হয় না। এক প্রতিবাদী শিক্ষক বলেন, “আমরা ২০১০ সালের আগেই নিয়োগ পেয়েছি। তখন টেট পরীক্ষা চালু ছিল না। এখন আমাদের আবার সেই পরীক্ষায় বসতে বলা হচ্ছে—এটা অন্যায়।”

TET: সমস্যা সমাধানে অনীহা দেখাচ্ছে রাজ্য-কেন্দ্র উভয় সরকারই, অভিযোগ শিক্ষকদের, বিক্ষোভ

Protest against TET Mandate

প্রিয়া ধর

শেষ আপডেট: 15 October 2025 20:39

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ শিক্ষকদের টেট সমস্যা, প্যারা টিচার ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের নানা দাবিদাওয়া ঘিরে বুধবার করুণাময়ী মেট্রো স্টেশনের কাছে বিক্ষোভে সামিল হন STEA (School Teachers’ Employees Association)-এর সদস্যরা। সকাল থেকেই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতে করুণাময়ী চত্বর জমজমাট হয়ে ওঠে। পরে সেখান থেকে বিকাশ ভবনের উদ্দেশ্যে বিক্ষোভ মিছিল রওনা দেয় সংগঠনের কর্মীরা।

বুধবারের এই কর্মসূচিতে বিকাশ ভবনে গিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনটি দফতরে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। কমিশনারেট অফ স্কুল এডুকেশনে ডেপুটেশন জমা দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীলকান্ত ঘোষ, অনিমেষ হালদার এবং ভাস্কর ঘোষ। মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে গিয়েছিলেন বাসুদেব দাস ও নূর ইসলাম। অন্যদিকে পার্শ্ব শিক্ষক সংগঠনের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন গৌতম মহানতি।

প্রতিবাদীদের বক্তব্য, তারা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করছেন যেখানে বলা হয়েছে—সকল শিক্ষকদের টেটের আওতায় আনা হবে। তাদের যুক্তি, টেট পরীক্ষা ২০১০ সাল থেকে চালু হয়েছে। সেক্ষেত্রে যারা ২০১০ সালের আগে নিয়োগ পেয়েছেন এবং তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী চাকরি পেয়েছেন, তাদের আবার টেট পরীক্ষায় বসে চাকরির বৈধতা প্রমাণ করার কোনো অর্থ হয় না। এক প্রতিবাদী শিক্ষক বলেন, “আমরা ২০১০ সালের আগেই নিয়োগ পেয়েছি। তখন টেট পরীক্ষা চালু ছিল না। এখন আমাদের আবার সেই পরীক্ষায় বসতে বলা হচ্ছে—এটা অন্যায়।”

প্রতিবাদীদের একাংশের অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারই সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে অনীহা দেখাচ্ছে। সরকারি স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংগঠনের নেতৃত্ব জানিয়েছেন, তাদের দাবি নিয়ে সরকার যদি দ্রুত আলোচনায় না বসে, তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন।


```