কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে গণনার দিন বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল তামান্না খাতুনের। ঘটনার পর ৮২ দিন হতে চলল। এখনও চার্জশিট জমা দেয়নি পুলিশ। এদিন চার্জশিট কবে জমা দেওয়া হবে সেই খবর নিতেই সিপিএমের জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কের সঙ্গে দেখা করতে আসেন তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন।

ধর্নারত অবস্থায় তামান্নার মা
শেষ আপডেট: 11 September 2025 20:02
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে গণনার দিন বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল তামান্না খাতুনের। ঘটনার পর ৮২ দিন হতে চলল। এখনও চার্জশিট জমা দেয়নি পুলিশ। এদিন চার্জশিট কবে জমা দেওয়া হবে সেই খবর নিতেই সিপিএমের জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কের সঙ্গে দেখা করতে আসেন তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন।
সাবিনার অভিযোগ, এসপি অফিসে আসা মাত্রই গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুধুমাত্র তাঁকে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দিলেও তিনি সবাইকে নিয়ে পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করবেন বলে দাবি করেন। সাবিনা বলেন, "আমরা চারজন ছিলাম। আমি আমার স্বামী ও আরও দুজন। আমি একা দেখা করে কী করব। ওদের আইনের কথা কি আমি বুঝতে পারব? তাই চারজন মিলে দেখা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা আটকে দিল।"
এসপির সঙ্গে দেখা করতে না পেরে দীর্ঘ ৪০ মিনিট এসপি অফিসের গেটের সামনে অবস্থানে বসেন তামান্নার মা- সহ সিপিআইএমের জেলা নেতৃত্ব। অবশেষে ডিএসপি শিল্পী পাল এসে তাঁদের ভেতরে নিয়ে যান। তামান্নার মা বলেন, "প্রথমে পুলিশ বলেছিল ৪০ দিনে চার্জশিট জমা দেবে। তারপর ৪৫ দিনে। তারপরে বলে ৬০দিনে চার্জশিট জমা দেওয়া হবে। এরপর চূড়ান্ত তারিখ ধার্য হয়েছিল ১০ সেপ্টেম্বর। দিনের পর দিন চার্জশিট জমা দেওয়ার সময়সীমা অতিক্রম হলেও পুলিশ চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। আজ তামান্নার মৃত্যুর ৮২ দিন। এখনও পর্যন্ত কেন চার্জশিট জমা পড়ল না?"
তামান্নার মা অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনও পর্যন্ত সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ওরা শুধু মুখের ওপর গেট বন্ধ করে দিতে পারছে। এখনও পর্যন্ত ১৪ জন অভিযুক্ত অধরা। তামান্নার বাবাকে মোলান্দি পুলিশ ক্যাম্পের সামনেই হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্তদের পরিবার। এই পরিস্থিতি থেকে কবে বের হতে পারবেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন ও বাবা হুসেন শেখ।