বিরোধী দলনেতার সাফ বক্তব্য, ফেব্রয়ারি মাস থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়ে যাবে। অর্থাৎ মাঝে আর ২ মাস বাকি। শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা জেনে গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের চাকরি দেবেন না।

শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 19 November 2025 16:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ থেকেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (West Bengal Primary Teachers Recruitment) জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মোট ১৩ হাজার ৪২১ শূন্যপদের জন্য নিয়োগ হবে। কিন্তু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মনে করেন, এসব পুরোটাই মনগড়া কথা। আদতে কিছুই হবে না এবং সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) জানেন!
বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে টেন্ডার থেকে শুরু করে এসআইআর (SIR) সব ইস্যুতেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে (TMC Govt) নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে নিশানা করেন বিজেপি বিধায়ক। সেই সময় প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ''এগুলো সব মনগড়া করছে, ওদের ইচ্ছে মতো। আইপ্যাকের (I-PAC) পরামর্শ মতো করছে। এগুলোর কোনও বাস্তবতা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চাকরি দেবেন না সবাই জেনে গেছেন।''
বিরোধী দলনেতার সাফ বক্তব্য, ফেব্রয়ারি মাস থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু (MCC) হয়ে যাবে। অর্থাৎ মাঝে আর ২ মাস বাকি। শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা জেনে গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের চাকরি দেবেন না। ১ লক্ষের কাছাকাছি পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Workers) এবং বাইরের রাজ্যে কাজ করা মানুষও বুঝে গেছেন মমতা যতদিন আছেন ততদিন বাড়ির ভাত খাওয়া হবে না।
শুভেন্দুর কথায়, রাজ্যের শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের সর্বনাশ আগেই করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তাঁর সরকার। এখন ১০০ দিনের কাজে ঠিকাদারদের সঙ্গে অন্যায় হচ্ছে। এই কাজের সামগ্রী সরবরাহকারীদের অনেককেই টাকা দেওয়া হয়নি। বিরোধী দলনেতার খোঁচা - পথশ্রীর নামে লুটশ্রী প্রকল্প চলছে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)।
এই কারণে ঠিকাদারদের বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। স্পষ্ট বলেছেন - ঠিকাদাররা যেন এখন কাজ না নেন, কারণ নিলে টাকা পাবেন না। কিন্তু কেন টাকা পাবেন না, সেটাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি। মনে করিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু (MCC) হয়ে যাবে। সে সময়ে তৃণমূল নেতারা ব্যস্ত থাকবেন ভোটের (WB Polls 2026) দৌড়ে। তাই কাজের কাজ কিছুই হবে না। ঠিকাদাররা একটাও টাকা পাবেন না। শুভেন্দু জানান, তাঁর আসল লক্ষ্য ঠিকাদারদের বাঁচানো।
এদিকে এসআইআর (SIR) আবহে রাজ্যে একের পর এক মৃত্যু (Death) নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু তৃণমূল সরকারকেই (TMC) নিশানা করেছেন। মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১২টি রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে, কিন্তু কোথাও এমন কোনও খবর নেই। সরকারের হয়তো আত্মহত্যা রোগ হয়েছে, খোঁচা শুভেন্দুর।