দেরিতে আসার শাস্তি, স্কুলের উঠানে ছাত্রদের উলঙ্গ করে দাঁড় করিয়ে রাখলেন প্রধান শিক্ষক!
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোদের মধ্যে স্কুলের প্রার্থনার জায়গায় উলঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে ছয় খুদে পড়ুয়া। ঘুরে ঘুরে তাদের দেখে চলেছেন প্রধান শিক্ষক। তিনিই ছাত্রদের এই নির্মম শাস্তি দিয়েছেন। স্কুলে দেরিতে আসায় শাস্তি হিসেবে শিশু পড়ুয়াদের প্যান্ট খুলিয়েছেন
শেষ আপডেট: 27 December 2018 21:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোদের মধ্যে স্কুলের প্রার্থনার জায়গায় উলঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে ছয় খুদে পড়ুয়া। ঘুরে ঘুরে তাদের দেখে চলেছেন প্রধান শিক্ষক। তিনিই ছাত্রদের এই নির্মম শাস্তি দিয়েছেন। স্কুলে দেরিতে আসায় শাস্তি হিসেবে শিশু পড়ুয়াদের প্যান্ট খুলিয়েছেন স্যার। প্রায় তালিবানি কায়দায় ঘুরে ঘুরে লাঠি হাতে চলছে স্যারের শাসন। ঘটনাটি অন্ধ্রপ্রদেশের পুঙ্গানুরের চৈতন্য ভারতী বিদ্যলয়ের। আপাতত গুনধর প্রধান শিক্ষকের এই অমানবিক শাস্তি দেওয়ার ছবি ভাইরাল। যার ফলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্যার ও তাঁর স্কুলের শিক্ষা পদ্ধতি।
জানা যাচ্ছে, প্রধান শিক্ষক মহারাজা নায়ডু এই স্কুলের মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই বিভিন্ন অভিযোগ এনেছেন অভিভাবকরা। তবে এবার, ছাত্রদের উলঙ্গ করে দাঁড় করিয়ে রাখার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তাঁরা। মূলত তৃতীয় শ্রেণীর পড়ুয়াদের প্যান্ট খুলতে বলেছিলেন নায়ডু। তাঁর যুক্তি, ওই ক্লাসের ছাত্ররাই স্কুলে আসতে দেরি করে। তাই শিক্ষা দিতেই তাদের উলঙ্গ করান তিনি। সেই ভিডিও ভাইরাল হতে প্রতিবাদে গর্জে ওঠে শিশুর অধিকার সংরক্ষণ সংগঠনের কর্মীরা। প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে অভিভাবকদের সঙ্গে সরব হয়েছেন তাঁরাও।
মুম্বইয়ে বহুতল আবাসনে বিধ্বংসী আগুন, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
সমাজকর্মীদের দাবি, প্রধান শিক্ষককে প্রচ্ছন্ন মদত দিচ্ছে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মহারাজা নায়ডুর বিরুদ্ধে পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করার দাবিও উঠছে। ইতিমধ্যে হায়দরাবাদের সমাজকর্মী অচ্যুতা রাও গোটা বিষয়টি
জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন-কে জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি তুলে শিশুদের বয়ান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও অন্তত এক বছর স্কুলের লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার দাবিও উঠছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।
অবশ্য, এত কিছুর মাঝে আত্মপক্ষ সমর্থনে শুধুই লিখিত দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মহারাজা নায়ডু। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে তাঁকে আর স্কুলে আসতে দেখা যায়নি। তাঁর বাড়িও তালা বন্ধ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই পালিয়েছেন প্রধান শিক্ষক বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।
সোয়াইন ফ্লু থেকে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে কর্নাটকে