Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

এসএফআইয়ের শীর্ষপদে বাঙালি প্রতিনিধি, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন সৃজন ভট্টাচার্য

কেরলের কোঝিকোড়ে আয়োজিত ১৮তম সর্বভারতীয় সম্মেলনে বাংলার সৃজন ভট্টাচার্য (Srijan Bhattacharya) নির্বাচিত হলেন সংগঠনের নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।

এসএফআইয়ের শীর্ষপদে বাঙালি প্রতিনিধি, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন সৃজন ভট্টাচার্য

সৃজন ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: 29 June 2025 20:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিপিএমের (CPIM) ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর (SFI) সর্বোচ্চ পদে আবারও জায়গা করে নিলেন এক বাঙালি নেতা। কেরলের কোঝিকোড়ে আয়োজিত ১৮তম সর্বভারতীয় সম্মেলনে বাংলার সৃজন ভট্টাচার্য (Srijan Bhattacharya) নির্বাচিত হলেন সংগঠনের নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।

তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলন শেষে রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন সৃজন। তাঁর সঙ্গে সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন কেরলের আদর্শ এম সাজি। আগের দু’টি মেয়াদে এই দায়িত্ব সামলেছিলেন আরও এক বাঙালি নেতা ময়ূখ বিশ্বাস (সাধারণ সম্পাদক) এবং কেরলের ভিপি সানু (সভাপতি), যাঁরা এবার অব্যাহতি পেলেন সংগঠনের কাজ থেকে।

এমনটা নতুন কিছু নয়—এসএফআইয়ের ইতিহাসে বহুবার দেখা গিয়েছে, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বাঙালি নেতাদের আধিপত্য। বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, তালিকা দীর্ঘ। যদিও মাঝেমধ্যে ব্যতিক্রমও ঘটেছে। যেমন, ঋতব্রতের পর সেই জায়গা নিয়েছিলেন হিমাচলের বিক্রম সিংহ, যাঁর সময়ে বাংলার কোনও প্রতিনিধির জায়গা হয়নি শীর্ষপদে।

সৃজনের নাম রাজনীতিতে নতুন নয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এই ছাত্রনেতা ২০২১ সালের সিঙ্গুর বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের যাদবপুর লোকসভা আসন থেকে বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও দু’বারই ভোটে সাফল্য আসেনি, এমনকি জামানতও হারিয়েছেন। তবুও দলের ভরসা রয়েছে তাঁর ওপর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবারও তাঁকে প্রার্থী করতে পারে সিপিএম।

এবারের দলে শীর্ষ পদ পাওয়ার পর সৃজনকে সংগঠনের কাজে দিল্লিতে আরও বেশি সময় দিতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে এবার তাঁর দায়িত্ব আরও বড় মঞ্চে।

এইভাবে, ছাত্র সংগঠনের জাতীয় নেতৃত্বে এক বাঙালি মুখের প্রত্যাবর্তন একদিকে যেমন বাম রাজনীতির ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখছে, তেমনই দলের পরবর্তী নেতৃত্ব তৈরির প্রক্রিয়াতেও তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করছেন অনেকে।


```