শুধু অবসরযাপনের স্থান হিসেবেই নয়, পার্কটিতে রয়েছে সংস্কৃতি ও স্মৃতিরও ছোঁয়া। কিংবদন্তি শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে তৈরি হয়েছে এক বিশেষ শিল্পকর্ম। সেখানে ফুটে উঠেছে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের বিখ্যাত জুটি উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেন। পাশে লেখা রয়েছে সেই অমর গান— “এই পথ যদি না শেষ হয়…”। এই দৃশ্য যেন এক মুহূর্তে ফিরিয়ে নিয়ে যায় পুরনো দিনের নস্টালজিয়ায়।

Sandhya Mukherjee
শেষ আপডেট: 23 August 2025 17:06
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ দক্ষিণ কলকাতার লেক গার্ডেন্স বাঙ্গুর পার্কে পৌরমাতা মৌসুমী দাসের উদ্যোগে খুলে গেল এক নতুন সাজে গড়া পার্ক। এলাকাবাসীর জন্য এই পার্কে রয়েছে বাচ্চাদের খেলার আলাদা জায়গা, বড়দের জন্য ওয়াকিং লেন, আর চারপাশ জুড়ে নান্দনিক সৌন্দর্যের ছোঁয়া। সাধারণ মানুষের অবসর কাটানোর জন্য এই পার্ককে সাজানো হয়েছে এক নতুন রূপে।
শুধু অবসরযাপনের স্থান হিসেবেই নয়, পার্কটিতে রয়েছে সংস্কৃতি ও স্মৃতিরও ছোঁয়া। কিংবদন্তি শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে তৈরি হয়েছে এক বিশেষ শিল্পকর্ম। সেখানে ফুটে উঠেছে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের বিখ্যাত জুটি উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেন। পাশে লেখা রয়েছে সেই অমর গান— “এই পথ যদি না শেষ হয়…”। এই দৃশ্য যেন এক মুহূর্তে ফিরিয়ে নিয়ে যায় পুরনো দিনের নস্টালজিয়ায়।
পার্কে আসা মানুষজন বলছেন, এখানে শুধু খেলার সুযোগ বা হাঁটার জায়গা নয়, আছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিবেশ। একদিকে ছোটরা খেলায় মেতে উঠছে, অন্যদিকে বড়রা হাঁটার পাশাপাশি অনুভব করছেন সোনালি দিনের সেই গানের আবেগ।
পৌরমাতা মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, “এলাকার উন্নয়নের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছোট থেকে বড়—সবাই যাতে একসঙ্গে সময় কাটাতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই এই পার্ক সাজানো হয়েছে।”
আলোয় সাজানো সন্ধ্যার আবহে বাঙ্গুর পার্ক এখন এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। খেলার মাঠ, হাঁটার পথ, আর চিরকালীন গানের স্মৃতিবাহী শিল্পকর্ম—সব মিলিয়ে এই পার্ক যেন একসঙ্গে বিনোদন, সংস্কৃতি আর আবেগের ঠিকানা হয়ে উঠেছে।