
সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি
শেষ আপডেট: 21 March 2025 20:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারস্বত বিদ্যাচর্চায় দেশ-কাল-সীমানার গণ্ডি ক্রমশ মুছে যাচ্ছে। আজ মানবীবিদ্যাচর্চা প্রযুক্তিবিদ্যার হাতে হাত ধরে এগিয়ে চলেছে। বিজ্ঞান দ্বারস্থ হচ্ছে কলাবিদ্যার। একটি বিষয়ের সঙ্গে অন্য একটি বিষয়ের মৈত্রীর সম্পর্কের তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি দুই দেশ কিংবা দুটি মহাদেশের মধ্যে ভাব ও সম্পদের আদানপ্রদানও আজ দুনিয়াজুড়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।
এই ভাবনাকে সমনে রেখেই এগিয়ে এল সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি। লক্ষ্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিনিময়। আর এই উদ্দেশ্যে আমেরিকার ইলিনয়ের ব্র্যাডলি ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথভাবে চালু হল ‘ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে প্রোগ্রাম’। আপাতভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে প্রোগ্রামের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স (স্টেম) থেকে শুরু করে মেডিক্যাল সায়েন্সের বিবিধ পরিসর। আপাতত এশিয়া ও আমেরিকার দুটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্ক স্থাপন করলেও আগামি দিনে অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই বৃত্তে আনার চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।
আজ এই আদানপ্রদান বিষয়ে একটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উপস্থিত ছিলেন সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সত্যম রায়চৌধুরি, মার্কিন বাণিজ্যদূত ক্যাথি গিলস-ডিয়াজ এবং আমেরিকান সেন্টারের ডিরেক্টর এলিজাবেথ লি। এই অনুষ্ঠানে ব্র্যাডলি ইউনিভার্সিটি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির-র ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। ঘোষিত সিদ্ধান্তমতে, এই কর্মসূচির ফলে এখানকার ছাত্রছাত্রীরা অন্তত দুই বছর বিদেশে পড়াশোনা ও কাজের সুযোগ পাবেন। অর্জন করবেন ‘ডুয়াল ডিগ্রি’। সবচেয়ে বড় কথা, আন্তর্জাতিক পরিসরে গবেষণা ও কাজের অভিজ্ঞতাও তাঁদের সমৃদ্ধ করবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ভাববিনিময়ে আমেরিকার ব্র্যাডলি ইউনিভার্সিটির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি #snu #Kolkata #thewallnews pic.twitter.com/2T9O0QFP2h
— The Wall (@TheWallTweets) March 21, 2025
আজকের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে যোগ দেন ব্র্যাডলি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মেরি কনওয়ে ডাটো-অন, অধ্যাপক প্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রফেসর রাজ আয়ার। এ ছাড়াও ছিলেন সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের গ্রুপ কর্ণধার ড. শঙ্কু বোস, সিস্টার নিবেদিতার প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাডমিন) সুপ্রতিম সেন, রেজিস্ট্রার প্রফেসর সুমন চট্টোপাধ্যায় এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু বিশিষ্ট অধ্যাপক।
সভার আলোচনায় উঠে আসে উদ্যোগের নির্যাস। জানানো হয়: ভারতে বিশ্বমানের বিদ্যাচর্চার নয়া দিগন্ত এই কর্মসূচির ফলে উন্মোচিত হতে পারে। পাশাপাশি বাংলার পক্ষেও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির মানচিত্রে সামনের সারিতে উঠে আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হতে চলেছে। গবেষণার পাশাপাশি দক্ষ পেশাদার তৈরিও এই আদানপ্রদানের অন্যতম লক্ষ্য।
এই কর্মসূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।