চূড়ান্ত ফাইনাল লিস্ট বেরোবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 15 December 2025 14:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামিকাল প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা (Draft Voter List)। এরপর শুরু হবে সংশোধনের ধাপ। সেই সময়েই চলবে হিয়ারিং ও ভেরিফিকেশন। চূড়ান্ত ফাইনাল লিস্ট বেরোবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
ইতিমধ্যে কমিশনের (Election commission) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মৃত, অন্যত্র চলে যাওয়া, নিখোঁজ এবং একাধিক জায়গায় নাম থাকা এমন ভোটারের মোট সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জন। এই বিপুল সংখ্যক নাম খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে চলেছে। হেয়ারিং পর্বে সংখ্যাটা আরও কিছু বাড়তে পারে।
কিন্তু বড় প্রশ্ন হল , এই হিয়ারিং বা শুনানিতে কারা ডাক পাবেন? আপনি কি সেই তালিকায় থাকতে পারেন? কাদের ডাকা হতে পারে?
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, হিয়ারিংয়ে ডাক পেতে পারেন কয়েক ধরনের ভোটার—
১. ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নাম নেই:
ইআরও (Electoral Registration Officer) যদি মনে করেন অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন, তবে তাঁদের ডেকে পাঠানো হবে হিয়ারিংয়ে। সেখানে দেখাতে হবে কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির মধ্যে অন্তত একটি বৈধ ডকুমেন্ট।
২. যাঁদের পরিবারের কারও নামও নেই পুরনো তালিকায়:
কমিশন এমন পরিবারগুলিকেও হিয়ারিংয়ে ডাকে, যাতে যাচাই করা যায় তাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য। এখানেও আধার ছাড়া বাকি ১১টি নথির মধ্যে যে কোনও একটি বৈধ নথি দেখাতে পারলেই নাম উঠে যাবে এসআইআরের ফাইনাল লিস্টে।
৩. ভুল তথ্য দেওয়া ভোটাররা:
কেউ যদি ফর্ম ফিলআপের সময় ভুল তথ্য দেন, আর সেই তথ্য কমিশনের ডাটাবেসের সঙ্গে না মেলে, সেক্ষেত্রেও কমিশন হিয়ারিংয়ে ডেকে পাঠাতে পারে।
৪. ফর্ম ফিলআপে গোলমাল বা অস্পষ্টতা:
কোনও ভোটারের ফর্ম যদি বিএলও (Booth Level Officer) বুঝতে না পারেন, বা কমিশনের কাছে অস্পষ্ট থাকে, তাহলেও সেই ভোটারকে ডেকে পাঠানো হতে পারে যাচাইয়ের জন্য।
কী করতে হবে হিয়ারিংয়ে?
যদি ডাক আসে, ভয় নয় — সঙ্গে নিয়ে যান নির্ধারিত নথি। প্রমাণ দিতে পারলেই মিটে যাবে সব সংশয়। আর নিশ্চিত হবে আপনার নাম এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায়।
অর্থাৎ, যেখানে কমিশনের সামান্যতম সন্দেহ তৈরি হবে, সেখানেই ডাকা হবে শুনানিতে। তবে সঠিক তথ্য ও বৈধ কাগজ সঙ্গে থাকলে, চিন্তার কিছু নেই।