শুনানির জন্য এখনই রাজ্যে বা নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 8 January 2026 20:01
পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Workers, Election Commission, New portal ) কথা মাথায় রেখে শুনানির প্রক্রিয়ায় বড়সড় বদল আনতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। সিইও দফতর সূত্রে খবর, সারা দেশের জন্য একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসিআই। এই পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই নিজের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা।
নয়া ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর আধার কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পোর্টালে লগ ইন করতে পারবেন। লগ ইন করার পর নিজের সমস্ত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করার সুযোগ থাকবে। ই-সাইন করার সুবিধাও রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ, শুনানির জন্য এখনই রাজ্যে বা নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, আপলোড করা তথ্য খতিয়ে দেখার পর সংশ্লিষ্ট ইআরও (ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। যদি নথিপত্রে কোনও অসঙ্গতি না থাকে এবং ইআরও সন্তুষ্ট হন, তাহলে সরাসরি চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। শুনানিতে সশরীরে হাজিরার প্রয়োজন পড়বে না।
শুধু পরিযায়ী শ্রমিকই নন, আরও কয়েকটি ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সরকারি কর্মী, পিএসইউ এবং ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা যদি কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকেন, তাহলে তাঁদের ক্ষেত্রেও শুনানিতে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ডকুমেন্ট জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রেও ই-সাইনকে বৈধতা দিচ্ছে কমিশন।
এছাড়াও, যাঁরা পড়াশোনা, চাকরি বা চিকিৎসার কারণে বাংলার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। উপযুক্ত ও ‘ফুলপ্রুফ’ নথি জমা দিলে পরিবারের সদস্যরাই তাঁদের হয়ে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
নতুন এই সিদ্ধান্তে পরিযায়ী শ্রমিক ও রাজ্যের বাইরে থাকা বহু মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।