শুক্রবার সন্ধেয় ১২ জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার (West Bengal SIR – Electoral Roll Observer) নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রয়েছেন একজন স্পেশ্যাল ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারও।

স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত
শেষ আপডেট: 29 November 2025 21:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামিকাল ফলতা যাচ্ছেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত। সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। রবিবারের বৈঠকের পরই জেলাভিত্তিক পর্যালোচনা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। বাকি অবজার্ভারাও কাল থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন।
শুক্রবার সন্ধেয় ১২ জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার (West Bengal SIR – Electoral Roll Observer) নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রয়েছেন একজন স্পেশ্যাল ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারও। এই স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta) আজ বিকেল ৪ টের সময় প্রথম ভিডিও কনফারেন্স করেন জেলাশাসকদের (District Magistrate) সঙ্গে। তার আগে ১২ জন অবজার্ভারদের নিয়ে বেঙ্গল চেম্বারে বৈঠক করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও (CEO)।
শুক্রবারের ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, জেলাগুলির জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে— জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং SIR–এর প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা।
জেলায় জেলায় নিম্নলিখিত আইএএস অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে—
১) স্মিতা পান্ডে—পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম
২) তন্ময় চক্রবর্তী—মুর্শিদাবাদ, মালদা
৩) রণধীর কুমার—উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা (উত্তর)
৪) সি. মুরুগান—দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা (সাউথ)
৫) আর. অর্জুন—কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি
৬) রাজীব কুমার / জগদীশ মিনা—হাওড়া
৭) নীলম মিনা—পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম
৮) অশ্বিনী কুমার যাদব—উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর
৯) নিরঞ্জন কুমার—দার্জিলিং, কালিম্পং
১০) দেবী প্রসাদ করানাম—পুরুলিয়া, বাঁকুড়া
১১) রচনা ভগত—নদিয়া
১২) ড. বিশ্বনাথ—হুগলি
নির্বাচন কমিশনের আদেশ অনুযায়ী অবজারভারের মূল দায়িত্ব হল—
১. বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ। ২৭ অক্টোবর ২০২৫–এর নির্দেশিকা অনুযায়ী SIR–এর প্রতিটি ধাপ যেন যথাযথভাবে হয়, তা দেখা। কোনও যোগ্য নাগরিক যেন বাদ না পড়ে এবং কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যেন তালিকায় ঢুকে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা।
২. প্রয়োজন অনুযায়ী কমিশনকে রিপোর্ট পাঠানো। অবজারভার চাইলে কমিশনকে নিয়মিত গ্রাউন্ড লেভেল ইনপুট ও বিশেষ পর্যবেক্ষণ পাঠাতে পারবেন।
৩. চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে—অবজারভার কোনও রকম প্রশংসাপত্র (appreciation letter) কোনও বিএলও (BLO) কিংবা ইআরএ (ERO) বা অন্য কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে নিজে থেকে দিতে পারবেন না। যদি মনে হয় কেউ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য, তাহলে কমিশনে সুপারিশ পাঠাতে হবে।
৪. ভাতা ও সুবিধা: কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত টিএ ও ডিএ এবং যেকোনও এয়ারলাইন্সে বিমানের ভ্রমণ-সুবিধা পাবেন সুব্রতবাবু। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের অফিস থেকে সমস্ত প্রোটোকল ও সাহায্য পাবেন।