খনও অবধি প্রায় ৯০ শতাংশেরও বেশি এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের (Enumeration Form) কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে।

শেষ আপডেট: 7 December 2025 22:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এসআইআর (SIR West Bengal) চলছে জোরকদমে। কত ফর্ম ডিজিটাইজেশন হল, সেই ক্রমাগত তথ্য আপডেট করছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার কমিশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, মৃত ভোটারের (Dead Voter) সংখ্যা বেড়ে হল ২৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৬৫। এখনও অবধি প্রায় ৯০ শতাংশেরও বেশি এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের (Enumeration Form) কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর সেই হিসেবে কমিশনের (Election Commission) দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবার সন্ধে পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা বেড়ে হল ৫৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৭৩।
এখন ভোটারদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই আন-কালেক্টেবল (Uncollectable Form) বলতে ঠিক কাদের কথা বলা হচ্ছে। কমিশন (election Commission) আগেই জানিয়েছিল, যারা মৃত, পাওয়া যায়নি বা অনুপস্থিত, পার্মানেন্টলি শিফটেড অর্থাৎ যাঁরা স্থায়ীভাবে সরে গিয়েছে, আগেই এনরোল করা ছিল বা নাম ছিল এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে এই আন-কালেক্টেবল।
দেখে নেওয়া যাক কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান
কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আন কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে বেশ কয়েকজন বিএলও-র কাজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দিল্লির নিয়োগ করা স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।
কমিশন খবর পেয়েছে, অনেক জায়গায় তিনবার করে ভিজিট করার পরেও চূড়ান্ত তালিকা আপলোড করতে দেরি করছেন বেশ কিছু বিএলও। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারাই নাকি বিএলও-দের বলছেন এখন কিছু আপলোড করার দরকার নেই, একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন বলা হবে তখন করলেও হবে। যা নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার। ঘুরিয়ে জানতেও চেয়েছিলেন, ঠিক কার নির্দেশের অপেক্ষা করছেন বিএলও-রা। কমিশনের বক্তব্য, এই আপলোডের প্রসেস যত তাড়াতাড়ি মিটবে, তত স্পষ্ট হবে বাংলার মৃত ভোটারের আসল সংখ্যাটা।
বস্তুত, এদিনই নির্বাচন কমিশন বাংলায় দু’টি শূন্য পদে যৌথ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Joint CEO) নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। শুক্রবার জারি হওয়া কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই দায়িত্ব পেতে চলেছেন দুই আইএএস আধিকারিক— বন্দনা পোখরিয়াল(IAS, WB:2016) এবং দিব্যা মুরুগেশন (IAS, WB:2017)।
চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের ২৫ নভেম্বরের চিঠির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এই দু’জনের নাম অনুমোদন করেছে। শূন্য থাকা দু'টি পদে তাঁরা যৌথ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।
এছাড়া ডেপুটি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্যানেলটিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।