Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

SIR Hearing West Bengal: সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে কি আরও ঘেঁটে গেল? দেড় কোটির কাছে শুনানির নোটিস যাচ্ছে

তৃণমূলের (TMC News) একাংশ নেতা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন যত বেশি সংখ্যক মানুষকে নোটিস পাঠাবে, তত বেশি সংখ্যায় ভোটার রুষ্ট হবে। এবং তাতে শাসক দলের লাভ হবে।

SIR Hearing West Bengal: সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে কি আরও ঘেঁটে গেল? দেড় কোটির কাছে শুনানির নোটিস যাচ্ছে

সিইও মনোজ আগরওয়াল

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 26 January 2026 19:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এসআইআর (SIR) নিয়ে কিছু প্রক্রিয়াগত প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তার পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে শনিবার লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) তালিকা প্রকাশ করেছে। দেখা যাচ্ছে, আদালতের নির্দেশের আগে যত সংখ্যক ভোটারের কাছে নোটিস যাওয়ার কথা ছিল, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ের পর তার চেয়ে বেশি সংখ্যক ভোটারের কাছে হিয়ারিংয়ের নোটিস (sir hearing notice) যাচ্ছে। কারণ, যে সব ছোটখাটো অসঙ্গতি সিইও দফতর ঘরোয়া ভাবে ঠিক করে ফেলছিল, এখন সেগুলোও খাতায়কলমে বা সাদা-কালোয় রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (SIR Hearing)। যাতে সবটাই সুপ্রিম কোর্টের নজরে রাখা যায়। কিন্তু তা করতে গিয়ে যেভাবে নোটিসের (SIR Notice) বহর বেড়ে গেছে, তা যুযুধান দুই শিবিরকেই ভাবাচ্ছে।

তৃণমূলের (TMC News) একাংশ নেতা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন যত বেশি সংখ্যক মানুষকে নোটিস পাঠাবে, তত বেশি সংখ্যায় ভোটার রুষ্ট হবে। এবং তাতে শাসক দলের লাভ হবে। আবার বিজেপি (BJP News) আশা করছে, এর পর লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির গোটা ব্যাপারটা সর্বোচ্চ আদালতের টেবিলে থাকবে। সুতরাং কমিশনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে তৃণমূলের রাজনীতি করার ও ‘ভোট লুঠ’ করার আগাম কৌশল বানচাল হবে।

 
 
বাংলায় SIR শুরু হওয়ার পর থেকেই জল্পনা ছিল— রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হতে পারে। এদিন নির্বাচন কমিশন (ECI) প্রকাশিত পরিসংখ্যান সেই আশঙ্কাকেই বাস্তবে পরিণত করেছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই এক কোটিরও বেশি ভোটারের কাছে শুনানির নোটিস পৌঁছে গিয়েছে। মোট ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৩ জন ভোটারের নামে নোটিস ‘জেনারেট’ হয়েছে। অর্থাৎ বাংলায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ যে শুনানির নোটিস পাচ্ছেন, তা এখন কার্যত নিশ্চিত।

কমিশনের (Election Commission) হিসাব বলছে, সোমবার পর্যন্ত শুনানিতে হাজির হয়েছেন ৩৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৫৩২ জন ভোটার। তবে তাঁদের মধ্যে নথি যাচাই সম্পূর্ণ হয়েছে মাত্র ১৫ লক্ষ ১২ হাজার ৭৫৫ জনের ক্ষেত্রে। এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধী শিবির, বিশেষ করে বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে দৃশ্যত স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূলে কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির চাপেই কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির মুখে ফেলছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের দাবি, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির নামে কমিশন নিজেরাই নিজেদের লজিক হারাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক জবাব আগামী নির্বাচনে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি শাসকদলের।

রাজ্যে আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬। অন্যদিকে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সংখ্যা প্রথমে জানানো হয়েছিল ১ কোটি ৩৬ লক্ষ। পরে তা কমে দাঁড়ায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২-এ। তবে কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আনম্যাপড ভোটার ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি—এই দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট সংখ্যা হওয়ার কথা ১ কোটি ২৬ লক্ষের কিছু বেশি। তা সত্ত্বেও সংশোধিত সংখ্যাকে চূড়ান্ত বলে মানেনি কমিশন; কার্যত প্রথমে ঘোষিত সংখ্যাকেই বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, Supreme Court of India-এর নির্দেশ মেনে রবিবার দুপুর থেকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ও আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা প্রকাশের কাজ শুরু হয়েছে। যদিও ছুটির দিন থাকায় কিছু জায়গায় তালিকা টাঙাতে বিলম্ব হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

গত ১৬ ডিসেম্বর রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল সিইও দফতর। সেই সময় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৩৯১ জন, মহিলা ভোটার ৩ কোটি ৪৬ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৩৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিলেন ১,৪০২ জন। এছাড়াও, রাজ্যে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৪৬২, প্রবাসী ভোটার ৮৫ জন এবং বিশেষভাবে সক্ষম (PwD) ভোটার ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৭৯ জন।


```