এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। এই ২,২০৮ টি বুথের মধ্যে শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেই রয়েছে ৭৬০ টি বুথ। ইতিমধ্যেই ডিইও-দের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 1 December 2025 21:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঞ্চল্যকর তথ্য কমিশনের (CEO Office) হাতে। এ রাজ্যের প্রায় ৮০ হাজারের বেশি বুথে ফর্ম বিলি (Form) ও ডিজিটাইজ পর্ব চলাকালীন দেখা যাচ্ছে রাজ্যের প্রায় ২,২০৮ টি বুথের (Booths) থেকে কোনও ফর্ম ফেরত আসেনি। অর্থাৎ এইসব বুথে বিলি করা ও ডিজিটাইজ করা ফর্মের সংখ্যা একই।
এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা (South 24 Parganas)। এই ২,২০৮ টি বুথের মধ্যে শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই রয়েছে ৭৬০ টি বুথ। ইতিমধ্যেই ডিইও-দের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।
এখন দেখে নেওয়া যাক রাজ্যের বাকি জেলাগুলির কী অবস্থা
দক্ষিণ ২৪ পরগনার পরেই রয়েছে পুরুলিয়া। এই জেলায় এমন বুথের সংখ্যা ২২৮ টি। এরপর রয়েছে মুর্শিদাবাদ ২২৬, মালদহ ২১৬ টি। নদীয়া-১৩০, বাঁকুড়া -১০১, হাওড়া-৯৪, পুর্ব মেদিনীপুর -৯০, বীরভূম-৮৬, উত্তর ২৪ পরগণা-৮২, জলপাইগুড়ি-৫৬, হুগলি-৫৪, দক্ষিণ দিনাজপুর-৪০, পশ্চিম মেদিনীপুর-১৫, উত্তর দিনাজপুর-১১,পুর্ব বর্ধমান-৯, আলিপুরদুয়ার-৩, কোচবিহার ও দার্জিলিং ২-টো করে, এবং কালিম্পং, কলকাতা উত্তর ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ১-টি করে বুথ।
শূন্য পাওয়া বুথের পাশাপাশি ১-টি করে ফেরত না আসা বুথের সংখ্যা ৫৪২ টি, ২-টি ফর্ম ফেরত আসা বুথের সংখ্যা ৪২০ টি, ৩ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৩৭২, ৪ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৩৭৪, ৫ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৪৮১, ৬ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথের সংখ্যা ৫৪৮, ৭ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৫৮৫, ৮ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৬৭৮, ৯ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৭৭৯ এবং ১০ টি করে ফর্ম ফেরত এসেছে এমন বুথের সংখ্যা ৮৫৭ টি।
এই সমস্ত বুথই এখন কমিশনের নজরদারির মধ্যে চলে আসছে। সূত্রের খবর, কমিশন এইসব বুথের এনুমারেশন ফর্মের সব তথ্যই একাধিকবার করে যাচাই করবে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ইআরও এবং ডিইও-দের আলাদা করে নির্দেশ পাঠান হয়েছে যাতে তাঁরা নিজেরা এইসব বুথের সব তথ্য ভাল করে খতিয়ে দেখে, কমিশন সূত্রে খবর।
সিইও দফতর সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট সব ইআরও এবং ডিইও (পদাধিকার বলে জেলাশাসক )-দের জানানো হয়েছে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার বেলা দশটার মধ্যে নিজেদের সই করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে ওইসব বুথের বিএলও-দের সঙ্গে পুনরায় কথা বলতে হবে। যে কোনও ভাবেই হোক না কেন, তা আগামিকালের মধ্যেই করে সরাসরি ইসিআই এর কাছে রিপোর্ট দিতে হবে।