দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার সকালে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের গুলিতে মারা যায় গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের ঘনিষ্ঠ অমর দুবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জানা গেল, কানপুরের চৌবেপুর অঞ্চলে ধরা পড়েছে বিকাশের আর এক সঙ্গী। তার নাম শ্যামু বাজপাই। চৌবেপুরের শীর্ষস্থানীয় পুলিশকর্তা কে এম রাই বলেন, "গুলির লড়াইয়ের পরে বিকাশ দুবের সঙ্গী শ্যামু বাজপাই ধরা পড়েছে। তার পায়ে গুলি লেগেছে। শ্যামু বাজপাইয়ের মাথার দাম ছিল ২৫ হাজার টাকা।"
গত ৩ জুলাই উত্তরপ্রদেশের কানপুরে মাওবাদী কায়দায় অপারেশন চালিয়ে আট পুলিশকর্মীকে হত্যা করে কুখ্যাত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে ও তার বাহিনী। সপ্তাহ ঘুরতে চললেও তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যেই খবর আসে, হরিয়ানার ফরিদাবাদে একটি হোটেলে দেখা গিয়েছে বিকাশকে। পুলিশের হাতে আসে একটি সিসিটিভি ফুটেজও। তারপরই চিরুনি তল্লাশিতে নামে উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানা পুলিশের যৌথ টিম।
জানা গিয়েছে গত মঙ্গলবার ওই হোটেলে দেখা গিয়েছিল বিকাশকে। ওইদিনই ওখানে পৌঁছে যায় কানপুর পুলিশের বিরাট টিম। কিন্তু গিয়ে দেখা যায় পাখি উড়ে গিয়েছে। হোটেলের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁরা আসার কিছুক্ষণ আগেই হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে বিকাশ।
হরিয়ানার দুই শহর ফরিদাবাদ এবং দিল্লি লাগোয়া গুরুগ্রামে হাই অ্যালার্ট জারি করেছে পুলিশ। হন্যে হয়ে বিকাশকে খুঁজছে দুই রাজ্যের পুলিশের অন্তত ৩০টি টিম। সমস্ত হোটেল, লজের সামনে সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
গত শনিবার বিকাশের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী দয়াশঙ্কর অগ্নিহোত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কানপুরের কল্যাণপুর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে পায়ে গুলি লাগে দয়াশঙ্করের। তারপরেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে অবশ্য একটি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।
রবিবার জেরায় পুলিশকে দয়াশঙ্কর জানায়, পুলিশের মধ্যে থেকেই কেউ বিকাশকে ফোন করে পুলিশের হানা দেওয়ার খবর দিয়েছিল। তারপরেই ওই তিন কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়।