প্রধানমন্ত্রীর “জয় মা কালী, জয় মা দুর্গা” স্লোগানকে তাঁর চিরাচরিত “জয় শ্রী রাম” ধ্বনির থেকে আলাদা মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

গ্রাফিক্স: শুভ্র শর্ভিন
শেষ আপডেট: 19 July 2025 15:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুর্গাপুরের (Durgapur) নির্বাচনী জনসভায় কালী আর দুর্গার নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। বাংলার মানুষের মন জয় করার এই প্রয়াস যে আসলে নির্বাচনী কৌশল, সেটা একপ্রকার স্পষ্ট। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল (TMC) সাংসদ মাহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)।
কৃষ্ণনগরের সাংসদ বলেন, “এখন মা কালীকে স্মরণ করে বাংলার ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা একটু দেরিতেই হল প্রধানমন্ত্রী মোদীর। মা কালী ধোকলা খান না, কোনওদিনও খাবেন না।” ঘটনা হল, ধোকলা গুজরাতের একটি জনপ্রিয় খাবার, যা মোদীর রাজ্যও বটে।
প্রধানমন্ত্রীর “জয় মা কালী, জয় মা দুর্গা” স্লোগানকে তাঁর চিরাচরিত “জয় শ্রী রাম” ধ্বনির থেকে আলাদা মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
মাহুয়া এর আগেও বিজেপির বিরুদ্ধে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে 'নির্দেশ' দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। তিনি বারবার বলে এসেছেন, বাংলার অনেক কালীমন্দিরেই প্রসাদ হিসাবে মাছ বা অন্যান্য আমিষ ভোগ দেওয়া হয়, যা গুজরাতের খাদ্যসংস্কৃতি থেকে একেবারেই আলাদা।
এর আগেও চিত্তরঞ্জন পার্কের এক মাছের বাজারে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, তৃণমূল সাংসদ অভিযোগ করেন যে কেউ কেউ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থেকে বাঙালি দোকানদারদের হুমকি দিচ্ছিলেন। কারণ ওই বাজারটি ছিল মন্দির লাগোয়া।
মহুয়া সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, চিত্তরঞ্জন পার্ক একটি বাঙালি পাড়া। বাঙালিরা গর্বিত মেছো। বিজেপি কি এবার আমাদের বলে দেবে কী খাব, কোথায় দোকান দেব, কখন ধোকলা খাব আর দিনে তিনবার ‘জয় শ্রী রাম’ বলব?
তবে বিজেপি ওই ভিডিওকে ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দেয়।