দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজনেস ভিসায় আগেও বহুবার ভারতে এসেছেন পোল্যান্ডের বাসিন্দা বিয়াল্লিশের মার্তা কোতলারস্কা। তবে বিপত্তি বাধল এ বার। ভিসা জটে শেষে মেয়ের থেকেই আলাদা হয়ে গেলেন তিনি। ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় আপাতত তাঁর ঠাঁই হয়েছে ব্যাঙ্ককে। এ দিকে মেয়ে রয়েছে গোয়ায়। নিরুপায় মার্তা তাই মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্য কাতর আবেদন জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে।
সুষমাকে টুইট করে মার্তা লিখেছেন, "ভারতে আমাকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ আমার কিশোরী মেয়ে গোয়ায় আমাকে ছাড়া রয়েছে। সেখানকার স্কুলে সে পড়াশোনা করে। স্কুলের সেশনও শেষ হয়ে আসছে। মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে পারছি না। কিছু করুন। "
পেশায় ফটোগ্রাফার ও শিল্পী মার্তা নানা দেশ ঘুরে বেড়ান। তাঁর মেয়ে আপাতত পড়াশোনা করে গোয়ার একটি স্কুলে। সেই সেশন শেষ হচ্ছে জুন মাসে। মেয়েকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে ভারতে আসেন তিনি। গোয়ায় কিছুদিন থেকে পেশার খাতিরে তাঁকে যেতে হয় শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে বেঙ্গালুরু কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পরই বিপত্তি বাধে।
মার্তার কথায়, "আমি জানতাম আর ১৮০ দিন সময় আছে আমার হাতে। গোয়ায় ফিরে মেয়েকে নিয়ে যাবো। ভিসাও রিনিউ করাবো। কিন্তু বিমানবন্দরে আমাকে আটকে দেওয়া হয়।"
ভারতীয় দূতাবাসে ইতিমধ্যেই বিষয়টি জানিয়েছেন মার্তা। "আমার খুব ভয় করছে। মেয়ের কাছে ফেরত যেতে কেউ সাহায্য করুন." সোশ্যাল মিডিয়াতেও এমন কথা জানিয়েছেন তিনি।
বিদেশে কেউ সমস্যায় পড়লে তৎক্ষণাৎ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সে যে কোনও দেশেরই নাগরিক হোন না কেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সব সময়েই বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ান বিদেশমন্ত্রী। শনিবার টুইটারে সুষমার কাছে বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে মার্তা বলেছেন, "আপনিই এখন আমার একমাত্র ভরসা। মেয়ের চিন্তায় পাগল হয়ে যাচ্ছি। আমি এখন ভারতের বাইরে রয়েছি। দেশে ফিরতে পারছি না। আপনি কোনও উপায় করে দিন। "