নবান্নে ট্রাইবাল কাউন্সিলের বৈঠকে বিস্ফোরক অভিযোগ, মুখ্যসচিবকে তদন্তের নির্দেশ মমতার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বীরবাহা হাঁসদা।
শেষ আপডেট: 25 August 2025 20:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ষড়যন্ত্র করে নিজেদের এসসি কিংবা এসটি সাজিয়ে জমি দখল (SC-ST Land,)! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যে। অভিযোগ, এসসি বা এসটি না হয়েও অনেকেই ভুয়ো নথি বানিয়ে এই তালিকায় নাম ঢোকাচ্ছেন।
শুধু জমি নয়, চাকরি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন NEET) সংরক্ষণের সুবিধাও নিচ্ছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে নবান্নে কড়া বার্তা (Issues, Strict Orders) দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Chief Minister, Mamata Banerjee, Issues , Strict Orders)।
সোমবার নবান্নে ট্রাইবাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সরব হন রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। পরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সরাসরি অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, "অনেকে যাঁরা আদৌ ST নন, তারাও কাগজপত্র জোগাড় করে এই তালিকায় নাম তুলে নিচ্ছেন।"
জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বিষয়ে তাঁর কাছেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যারা এসসি বা এসটি নয়, তাদের নাম এই তালিকায় কীভাবে এল? এটা বন্ধ করতে হবে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নিন।”
শুধু ভুয়ো তালিকাভুক্তি নয়, অভিযোগ উঠেছে অলচিকি ভাষার প্রশ্নপত্র সময়মতো না পৌঁছনো নিয়েও। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই বিষয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ঝাড়গ্রাম-সহ একাধিক জায়গা থেকে এমন অভিযোগ এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রাজ্যের একাংশ প্রশাসনিক কর্তার বক্তব্য, এই ধরনের জালিয়াতি রুখতে কড়া ব্যবস্থা ছাড়া উপায় নেই। নচেৎ জনজাতি সমাজের প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হবেন। আর সেটাই এখন চরম উদ্বেগের কারণ।
নবান্ন সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় আরো বেশি করে যাওয়ার জন্য চারমন্ত্রীকে ফের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই চারমন্ত্রী হলেন, বুলুচিক বরাইক, বীরবাহা হাঁসদা, জ্যোৎস্না মান্ডি ও সন্ধ্যারানি টুডু।