Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’

WB Election: কমিশনের চিঠিতে বিজেপির প্রতীক! ভোটের মধ্যে পুরনো চিঠি দেখিয়ে অভিযোগ তৃণমূলের

বাংলার শাসক দলের শেয়ার কর চিঠিটি ২০১৯ সালের মার্চ মাসের। সেখানে প্রার্থীদের অপরাধমূলক অতীত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল।

WB Election: কমিশনের চিঠিতে বিজেপির প্রতীক! ভোটের মধ্যে পুরনো চিঠি দেখিয়ে অভিযোগ তৃণমূলের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 23 March 2026 20:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য বিধানসভা ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) ঘোষণার অনেক আগে থেকেই নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নিশানা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC West Bengal)। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের বি-টিম হিসেবে কাজ করছে কমিশন। এবার যেন তাঁর 'প্রমাণ' দিল তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের একটি পুরনো নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে এমনই দাবি করেছে তাঁরা।

তৃণমূল সোশ্যাল মিডিয়ায় কমিশনের একটি পুরনো চিঠি পোস্ট করেছে যাতে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতীক দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েই। তৃণমূলের দাবি, ওই স্ট্যাম্প বিজেপির। তাতেই শোরগোল।

বাংলার শাসক দলের শেয়ার কর চিঠিটি ২০১৯ সালের মার্চ মাসের। সেখানে প্রার্থীদের অপরাধমূলক অতীত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল। দেশের সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে পাঠানো এই নথিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে।

এই নির্দেশের ভিত্তিতে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, রিটার্নিং অফিসার এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে সেই তথ্য জমা দেওয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছিল।

কিন্তু বিতর্কের সূত্রপাত অন্য জায়গায়। চিঠির নীচের অংশে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতীক (বিজেপি) এবং রাজ্যের নামের উল্লেখ দেখা গিয়েছে। সেই অংশ ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে - কমিশনের নথিতে কীভাবে কোনও দলের চিহ্ন থাকতে পারে? এটি কি কোনওভাবে সংযোজিত, না কি নথির ব্যবহার নিয়ে কোথাও গাফিলতি হয়েছে - তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক সংস্থার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেখানে এমন কোনও চিহ্ন বা ইঙ্গিত থাকলে তা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের জন্ম দেয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

সব মিলিয়ে একটি পুরনো নথি নতুন করে সামনে আসতেই তা ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশ্নের আবহ। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন কী অবস্থান নেয়, এখন সেটাই দেখার।


```