মালদহে রহস্যমৃত্যু কলকাতার এই হাসপাতালের তরুণী পড়ুয়ার। প্রেমিকের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের। অভিযুক্ত নিজে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া বলেই জানা গেছে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 13 September 2025 17:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের শিরোনামে আরজি কর! মালদহে রহস্যমৃত্যু কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালের তরুণী পড়ুয়ার (RG Kar Students Death in Malda)। প্রেমিকের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের। অভিযুক্ত মালদহ মেডিক্যাল কলেজের (Malda Medical College) পড়ুয়া বলেই জানা গেছে।
শুক্রবার এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তরুণীকে। আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, তাঁদের ফোন করে বলা হয় মেয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছে। সেখানে পৌঁছে তাঁরা দেখেন, তাঁর মুখ দিয়ে গ্যাজলা মতো কিছু বেরোচ্ছিল। প্রেমিকের বিরুদ্ধে কিছু খাইয়ে দিয়ে মেয়েকে খুনের অভিযোগ এনেছেন মৃতার পরিবার।
জানা গেছে, মৃতা আরজি করের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী ছিলেন। অভিযুক্ত মালদহ মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া। মৃতার পরিবারের দাবি, দুজনে গোপনে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে বিয়েও করেছিলেন। এরমধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তরুণী। তারপরই সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ে। দুজনের প্রায়ই ঝগড়া হত। সেই থেকেই হয়তো তরুণীকে কিছু খাইয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না বলেও দাবি পরিবারের।
মৃতার পরিবার ইতিমধ্যেই যুবকের বিরুদ্ধে ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও খবর। প্রাথমিক অনুমান, ওষুধের ওভারডোজের কারণেই মৃত্যু হয়েছে তরুণীর। তাহলে নেপথ্যে কী খুন নাকি আত্মহত্যা, তদন্তে উঠে আসবে প্রকৃত সত্য।
যাদবপুরের এক তরুণীর রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্রে করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ইউনিয়ন রুমের কাছে ঝিলপাড় থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। জানা যায়, তরুণী ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জলে ডুবেই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। তবে এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি খুন, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত বছর ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল (RG Kar Rape and Murder Case)। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল। প্রথমে কলকাতা পুলিশ, পরে সিবিআই (CBI) তদন্তভার নেয়। সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। এদিকে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন রাজ্য তথা দেশের বহু জুনিয়র চিকিৎসক। ঘটনার পর কিছুদিন পর্যন্ত চিকিৎসা পরিষেবা কার্যত স্তব্ধ হয়ে গেছিল।
আরজি করকাণ্ডের রেশ এখনও বজায় রয়েছে। গত ৯ অগস্ট আরজি করকাণ্ডের বর্ষপূর্তিতে নবান্ন অভিযান করেন নিহত তরুণীর পরিবার। মেয়ের খুনের সুবিচার পেতে এখনও বিচারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।