রথযাত্রার দিন থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি আরও জোরদার হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিন উত্তর ও দক্ষিণ—দুই বঙ্গেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া
শেষ আপডেট: 23 June 2025 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রথযাত্রার দিন থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি আরও জোরদার হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিন উত্তর ও দক্ষিণ—দুই বঙ্গেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ জুন শুক্রবার, রথযাত্রার দিন পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় বিস্তৃতভাবে বৃষ্টি হবে।
দক্ষিণবঙ্গের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ সব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, হাওড়া ও হুগলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে।
বুধবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলি জেলার জন্য। বৃহস্পতিবার একইভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলায়।
শুক্রবার, অর্থাৎ রথযাত্রার দিন, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূম জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতেও দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও এই সময় বৃষ্টির দাপট কম থাকবে না। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার যদিও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই, তবে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
শুক্রবার ফের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি—এই পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
পর্যবেক্ষণ বলছে, এই সময়ে রাজ্যের বিস্তীর্ণ অংশেই বৃষ্টির কারণে জনজীবনে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। রথযাত্রার দিন যাত্রাপথ ও জমায়েতের জায়গাগুলিতে জল জমে সমস্যার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না পরিবেশবিদরা। প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত নজরদারির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।