Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

পুজোর মুখে ধাক্কা, দিঘা ডিপো থেকে বন্ধ হয়ে গেল ১০টি সরকারি বাস

যে ডিপো একসময় ছিল গর্বের প্রতীক, সেখানে আজ একের পর এক বাস বন্ধ হওয়া কি রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থার অদক্ষতার প্রতিচ্ছবি নয়? 

পুজোর মুখে ধাক্কা, দিঘা ডিপো থেকে বন্ধ হয়ে গেল ১০টি সরকারি বাস

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 24 September 2025 12:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর মুখে (Durga Puja) যখন গোটা রাজ্যে পর্যটকদের ভিড় সামলাতে অতিরিক্ত বাস বাড়ানোর তোড়জোড় চলছে, ঠিক তখনই উল্টো চিত্র দিঘা ডিপোয় (Digha depo)। 

বিপুল লোকসানের জেরে অলাভজনক রুটে ১০টি সরকারি বাস একেবারে তুলে দিল এসবিএসটিসি (10 government Buses)। ফলে ঝিকড়া, নবদ্বীপ-সহ আটটি রুটে আর বাস নামছে না।

একসময় রাজ্যজুড়ে দিঘা ডিপোর নামডাক ছিল। প্রায় ৮০টি বাস ছুটত এ ডিপো থেকে। পর্যটন মরশুমে বাড়তি ভিড় সামলাতে বাড়ানো হত সরকারি বাসও। কিন্তু সময় বদলেছে। দুর্বল ম্যানেজমেন্ট, নজরদারির অভাব এবং রাজনৈতিক চাপের ফলে একের পর এক রুট লোকসানের মুখে পড়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখন দিঘা ডিপো থেকে বাস চলছে গড়ে মাত্র ২০-২৫টি।

ডিপোর কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, “রাজনৈতিক নেতাদের আব্দারে নতুন নতুন রুট চালু করা হয়েছিল। কোনও সমীক্ষাই হয়নি। কয়েকদিন পরই দেখা যায় যাত্রী নেই, আয় নেই। শুধু লোকসানই বাড়ছে।” পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে জ্বালানি সঙ্কট। বেলঘরিয়া ডিভিশন থেকে তেল অনিয়মিত আসায় সপ্তাহে দু’-তিন দিন একেবারেই বন্ধ থাকছে বাস পরিষেবা।

ডিপো ইন-চার্জ তপন মান্না জানিয়েছেন, লোকসান ঠেকাতেই বাধ্য হয়ে অলাভজনক রুট থেকে বাস তুলে নিতে হয়েছে। তবে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “পুজোর মরশুমে দিঘাগামী রুটে সরকারি বাসের সংখ্যা অবশ্যই বাড়ানো হবে।”

কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়—যে ডিপো একসময় ছিল গর্বের প্রতীক, সেখানে আজ একের পর এক বাস বন্ধ হওয়া কি রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থার অদক্ষতার প্রতিচ্ছবি নয়? পুজোর ব্যস্ত সময়ে এই সিদ্ধান্তে সাধারণ যাত্রীদের যে বিপাকে ফেলবে, তা বলাইবাহুল্য।


```