Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী? দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিলেই সম্মতি দিলেন না রাষ্ট্রপতি

উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে ক্ষমতার রাশ কার হাতে থাকবে— সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ল দিল্লির সিদ্ধান্তে।

রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী? দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিলেই সম্মতি দিলেন না রাষ্ট্রপতি

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 15 December 2025 15:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় বদল আনতে পারত যে দুই সংশোধনী বিল (amendment bills, state universities), সেগুলিতে সম্মতি দিলেন না মহামান্য রাষ্ট্রপতি (President)। ফলে আপাতত রাজ্য-সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির চ্যান্সেলর পদে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

রাজভবন সূত্রের খবর, গত ২০ এপ্রিল ২০২৪-এ পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল, ২০২২ রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত রেখেছিলেন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose)। ওই বিলে প্রস্তাব ছিল, রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির চ্যান্সেলর পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে (Chief Minister Mamata Banerjee) বসানো হোক।

একই দিনে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধনী) বিল, ২০২২-ও। সেখানেও আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আমির-ই-জামিয়া বা চ্যান্সেলর হিসেবে রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মূল আইনে স্পষ্টভাবে বলা রয়েছে, “রাজ্যপাল তাঁর পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হবেন।” সেই প্রেক্ষিতেই সংশোধনী দু’টি বিলে সম্মতি দিতে বিরত থাকলেন রাষ্ট্রপতি বলে জানানো হয়েছে।

এর ফলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির চ্যান্সেলর পদে রাজ্যপালের ভূমিকা বহাল থাকছে। উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে ক্ষমতার রাশ কার হাতে থাকবে— সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ল দিল্লির সিদ্ধান্তে। তবে এ ব্যাপারে রাজ্যের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। প্রতিক্রিয়া এলে প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।


```