গঙ্গা পুজো ও গঙ্গা আরতির মাধ্যমে ১০৮ কলস নিয়ে যাত্রা শুরু হয়ে দুপুরে মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Mandir) এসে পৌঁছবে। এরপর বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে গীতা পাঠ ও ধর্মসভা।

শেষ আপডেট: 29 January 2026 17:47
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: কলস যাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মাহেশ (Makesh)। আর একদিন পরেই মাহেশ জগন্নাথ মন্দির (Mahesh Jagannath Mandir) ট্রাস্ট কমিটির সম্পাদক পিয়াল অধিকারী জানান, ৩১শে জানুয়ারি নিত্যানন্দ চতুর্দশীর দিন শোভাযাত্রা সহকারে কলস যাত্রার সূচনা হবে। সেদিন গঙ্গা পুজো ও গঙ্গা আরতির মাধ্যমে ১০৮ কলস নিয়ে যাত্রা শুরু হয়ে দুপুরে মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Mandir) এসে পৌঁছবে। এরপর বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে গীতা পাঠ ও ধর্মসভা।
বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly) প্রাক্কালে গীতা পাঠ ও ধর্মসভা আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় পিয়াল অধিকারী বলেন, “রাজনীতি এক জায়গায়, আর আমাদের ধর্মসভা ও গীতা পাঠ সম্পূর্ণ অন্য জায়গায়। প্রতি বছরই মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরে নানা ধর্মীয় কর্মসূচি ও গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। মন্দির হোক কিংবা মসজিদ—কোনও ক্ষেত্রেই আমাদের ট্রাস্ট কমিটির মধ্যে কোনও রাজনৈতিক রং নেই। আমরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এই ধর্মসভা, গীতা পাঠ ও হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছি। কোথাও মন্দির বা মসজিদ থাকলে তাতে আপত্তির কোনও কারণ নেই, আর এসব বিষয় নিয়ে রাজনীতি করাও অনুচিত।” মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরে কোনও ধরনের ধর্মীয় মেরুকরণের স্থান নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

৩১শে জানুয়ারি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত হবে “অমৃত হরিনাম মহাসম্মেলন ও বিশ্বশান্তি মহাযজ্ঞ”। সেখানে দিনভর চলবে বিশেষ পুজো ও যজ্ঞ। ১লা ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবকে নিবেদন করা হবে ছাপ্পান্ন ভোগ ও ৬৪ মহন্ত ভোগ। এই বিশেষ আধ্যাত্মিক মহোৎসবের সঙ্গে এবার নাম জুড়ছে ‘আমার অন্ন’ (Amar Anna) প্রিমিয়াম চালের। ভোগের প্রসাদ রান্না হবে ‘আমার অন্ন’ চালে।
কলস যাত্রার আগে পিয়াল অধিকারী বলেন, “সনাতন ধর্মের প্রকৃত অর্থ অনেকেই বোঝেন না। যিনি সনাতন ধর্মের মর্ম বোঝেন, তিনি কখনও তা নিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করবেন না। অতীতেও সনাতন ধর্ম যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনই থাকবে।”কলস যাত্রার আগে মন্দির ট্রাস্ট কমিটির সম্পাদক পিয়াল চৌধুরী বলেন, “সনাতন ধর্মের প্রকৃত অর্থ অনেকেই বোঝেন না। যিনি সনাতন ধর্মের মর্ম বোঝেন, তিনি কখনও তা নিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করবেন না। অতীতেও সনাতন ধর্ম যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনই থাকবে।”