পুলিশ সূত্রে খবর, রাকেশ সিং যে গাড়ি করে পালিয়েছে সেটি তাঁর ছেলে শিবম সিংয়ের নামে রেজিস্টার করা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে আটক করা হলেও পরে তাঁকে গ্রেফতার করে এন্টালি থানার পুলিশ।

গ্রেফতার রাকেশ সিংয়ের ছেলে
শেষ আপডেট: 1 September 2025 10:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেসের দফতরে হামলার ঘটনার পর প্রায় তিনদিন পার। এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত বিজেপি নেতা রাকেশ সিং (Rakesh Singh)। তাঁকে না পেয়ে এবার বিজেপি নেতার ছেলেকে গ্রেফতার করল এন্টালি থানার পুলিশ (Police arrested Shivam Singh)। রবিবার রাতেই তাঁকে বাড়ি থেকে থানায় তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের। এমনকি সেখানে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। এর প্রতিবাদে থানা ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় পরিবারের সদস্যরা।
বিহারে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও তাঁর মায়ের জন্য অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের সভা থেকে। এরপরই গত শুরকবার কলকাতায় বিধান ভবনে হামলা চালায় বিজেপির একদল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে রাকেশ সিংকে। তাঁকেই মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না তাঁর।
পুলিশ সূত্রে খবর, রাকেশ সিং যে গাড়ি করে পালিয়েছে সেটি তাঁর ছেলে শিবম সিংয়ের নামে রেজিস্টার করা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে আটক করা হলেও পরে তাঁকে গ্রেফতার করে এন্টালি থানার পুলিশ।
এদিকে, বিধান ভবনের হামলার ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ঘটনার পরদিনই একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, 'থানার দূরত্ব ১০০ মিটার, তাও পুলিশ আসতে পারল না। এই আক্রমণ ঠেকাতে পারল না।' 'একই এলাকায় তৃণমূলের ঠেকে হামলা হলে পুলিশ কি রক্ষা করতে আসত না?' সভামঞ্চ থেকে এই প্রশ্নও তোলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ।
হামলার পর দীর্ঘসময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মূল অভিযুক্ত রাকেশ সিংকে গ্রেফতার করা যায়নি। এনিয়েও সুর চড়ান অধীর চৌধুরী। পুলিশকে উদ্দেশ্য করেই তিনি প্রশ্ন করেন, 'কোন সমঝোতার কারণে এখনও মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হল না?'
উত্তেজনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও ঘিরে। অভিযোগ, ‘ভোটার অধিকারের যাত্রা ’চলাকালীন দরভাঙ্গায় কংগ্রেসের পতাকা গায়ে জড়ানো এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল মন্তব্য করেন। ওই ভিডিও ভাইরাল হতেই বিজেপি থানায় এফআইআর দায়ের করে এবং কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।