ভারী বৃষ্টিতে নাজেহাল সিকিম, বন্ধ রাস্তাঘাট, প্রায় ৪০০ পর্যটক সরালো সেনা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারী বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত সিকিম। গত চার দিন ধরে সিকিমে আটকে পড়েছিলেন প্রায় শ’চারেক পর্যটক। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালের মধ্যে অন্তত ৪২৭
শেষ আপডেট: 20 June 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারী বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত সিকিম। গত চার দিন ধরে সিকিমে আটকে পড়েছিলেন প্রায় শ’চারেক পর্যটক। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালের মধ্যে অন্তত ৪২৭ জন পর্যটককে গ্যাংটক পৌঁছে দিয়েছে সেনা।
গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে সিকিমের আবহাওয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতির জেরে পাহাড় থেকে সমতল বিভিন্ন এলাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে। বিশেষ করে গত সোমবার সিকিমের চুংথাং জলাধার এলাকায় মেঘ ভেঙে বৃষ্টির জেরে উপরের অংশ থেকে নীচ পর্যন্ত তিস্তা নদীতে জল বেড়েছে। তাতে নদী লাগোয়া এলাকায় বন্যার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের সতর্ক করে রাখা হয়েছে। ৬০০ কিউসেক জল তিস্তা-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ছাড়ায় নদীর নিম্ন অববাহিকায় জল আরও বেড়েছে। মঙ্গলবারও সিকিমের বিভিন্ন প্রান্তে জোর বৃষ্টি হওয়ায় লাচুং, লাচেন-র দিকে পর্যটকদের যাতায়াতে বিধিনিষেধ জারি করেছে সিকিম প্রশাসন।

সিকিমের উঁচু পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সিকিম প্রশাসনের তরফে নাথুলা, ছাঙ্গু যাওয়ার জন্য পর্যটকদের পারমিট দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, বৃষ্টির জেরে লাচেন পর্যন্ত সড়ক পথ বন্ধ রয়েছে। তবে অন্যান্য সড়কগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে। আটকে পড়া পর্যটকদের বেশিরভাগকেই উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গত সোমবারই উত্তর সিকিমে ঘুরতে গিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ৬০টি পর্যটক বোঝাই গাড়ি আটকে পড়ে। ধীরে ধীরে তাঁদের লাচেন থেকে উদ্ধার করে গ্যাংটকে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে তিনটি এলাকায় ধস থাকায় পর্যটকদের রাত অবধি গ্যাংটকে আনা যায়নি।
উত্তর সিকিম জেলা কমিশনার জানিয়েছেন, লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকদের বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার বন্দোবস্ত হয়েছে। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ ও সেনার গোর্খা রেজিমেন্ট পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।