Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

রাজ্যে ব্যাঙের ছাতার মতো নার্সিং কলেজ! অডিটের নির্দেশ, কাউন্সিলকে ডেডলাইন বেঁধে দিল হাইকোর্ট

অডিট চলাকালীন কোনও কলেজের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজকর্মের প্রমাণ মিললে, সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর করার ক্ষমতাও কাউন্সিলকে দিয়েছে আদালত।

রাজ্যে ব্যাঙের ছাতার মতো নার্সিং কলেজ! অডিটের নির্দেশ, কাউন্সিলকে ডেডলাইন বেঁধে দিল হাইকোর্ট

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 23 December 2025 13:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যজুড়ে নার্সিং কলেজ (Nursing colleges) খুলে টাকা কামানোর অভিযোগে এ বার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কত নার্সিং কলেজ চলছে, সেখানে কত পড়ুয়া ভর্তি, কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে—এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গোটা রাজ্যে অডিটের (Audit) নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিত বসু।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য নার্সিং কাউন্সিলকে আগামী ছ’মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ অডিট করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। অডিট চলাকালীন কোনও কলেজের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজকর্মের প্রমাণ মিললে, সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর করার ক্ষমতাও কাউন্সিলকে দিয়েছে আদালত।

এই নির্দেশ দিতে গিয়ে বিচারপতি বসুর তীব্র মন্তব্য, রাজ্যে কত নার্সিং কলেজ খুলছে, কত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে—তার কোনও নির্ভরযোগ্য হিসেবই নেই। অথচ কর্মসংস্থানের আশায় হাজার হাজার যুবক-যুবতী মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এসব কলেজে ভর্তি হচ্ছেন। ব্যবসা না চললেই কলেজের ঝাঁপ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও দায় নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই সব প্রতিষ্ঠানের উপর কার্যত কোনও নজরদারি নেই। শুধু নার্সিং কলেজই নয়, ট্রাস্টির হাত ধরে রাজ্যে স্কুল-কলেজও চলছে। শিক্ষা ব্যবস্থা চলে গিয়েছে ট্রাস্টিদের নিয়ন্ত্রণে, অথচ সরকারের তরফে কার্যকর কোনও নিয়ন্ত্রণ বা তদারকি নেই—যা মোটেই মেনে নেওয়া যায় না।

এক মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ হাইকোর্টের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় বেদান্ত নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রী আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ শেষ হওয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, পর্যাপ্ত পড়ুয়া না থাকায় কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। অথচ নার্সিং কোর্সে ভর্তি হতে তাঁদের তিন লক্ষ টাকা করে দিতে হয়েছিল।

এই মামলার শুনানিতেই রাজ্যের নার্সিং শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক ছবিটা আদালতের সামনে উঠে আসে। সেই প্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতে পড়ুয়াদের স্বার্থ রক্ষায় এই কড়া পদক্ষেপ, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


```