
শেষ আপডেট: 12 October 2023 09:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসি, টেট নিয়ে লাগাতার আন্দোলনের মধ্যেই এবছর টেট আবেদনকারীদের নিয়ে যে তথ্য প্রকাশ্যে এল, তা বেশ হতাশাজনক। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের টেট-এ আবেদনকারীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। যেখানে গত বছর সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৬ লক্ষ ৯০ হাজার, সেখানে এবছর আবেদনকারীর সংখ্যা মেরেকেটে ৩ লক্ষ ১০ হাজার মতো। বুধবার এমনই জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
এবছর প্রাথমিকের টেটে এত কম আবেদনকারী দেখে অবাক অনেকেই। এর পিছনে একাধিক কারণ থাকলেও মূলত লাগাতার আন্দোলন এবং চাকরির বাজার খারাপ দেখেই আবেদনকারীর সংখ্যা কমেছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের টেট পরীক্ষা আয়োজিত হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর। তবে এভাবে টেট নিয়ে আগ্রহ কমে যাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে এমন ঘটনার পিছনে কারণ খুঁজতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
এছাড়াও এভাবে আবেদনকারীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে আদালতের একটি নতুন নির্দেশ। কী বলা রয়েছে সেখানে? আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাথমিকের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে এখন আর বিএড ডিগ্রিকে গ্রাহ্য করা হবে না। একমাত্র ডিএলএড বা সমতুল্য ডিগ্রিধারীরাই প্রাথমিকে শিক্ষক হতে পারবেন। তাই শুধুমাত্র তাঁরাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। গত বছর এই নিয়ম কার্যকর হয়নি, তাই আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
এবার বিএড ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারেননি। এর ফলেই আবেদনকারীর সংখ্যা এতটা কমেছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রাথমিক টেট-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। আবেদনের সময়সীমা ছিল ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে আবেদনের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ার ফলে ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়। কিন্তু তারপরেও যে ওই সংখ্যা খুব একটা বাড়েনি, সেটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।