আইআইটি কানপুরের অন্দরে বাড়ছে গবেষণার সুযোগ, ক্যাম্পাসেই খুলল নতুন দুই কেন্দ্র
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংরেজি নয়, হিন্দি বা দেশের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাকে নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিল আইআইটি কানপুর। শুধু তাই নয়, পরিবেশের শক্তি নীতি এবং জলবায়ু সমাধান বিষয়ক গবেষণা ও পড়াশুনার সুযোগ থাকছে এবার আইআইটি কানপুরের (IIT Kanpur) অন্দরে।
শেষ আপডেট: 7 November 2021 09:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংরেজি নয়, হিন্দি বা দেশের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাকে নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিল আইআইটি কানপুর। শুধু তাই নয়, পরিবেশের শক্তি নীতি এবং জলবায়ু সমাধান বিষয়ক গবেষণা ও পড়াশুনার সুযোগ থাকছে এবার আইআইটি কানপুরের (IIT Kanpur) অন্দরে।
দেশের পড়ুয়াদের জন্য নতুন দরজা খুলল আইআইটি কানপুর। এই প্রতিষ্ঠানের অন্দরেই শুরু হল দুটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেন্টার। 'শিবানী সেন্টার' ও 'চন্দ্রকান্ত কেশবন সেন্টার' নামে দুই প্রতিষ্ঠান চালু হল। প্ৰথমটিতে ভাষা নিয়ে গবেষণা ও পড়াশুনা করা যাবে, আর দ্বিতীয়টিতে থাকছে জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ। উভয় কেন্দ্রই আইআইটি কানপুরের প্রাক্তনীদের অনুদানে তৈরি করা হয়েছে।
শিবানী সেন্টারটি আইআইটি কানপুরের প্রাক্তন ছাত্র মুক্তেশ মিকি পান্ত-এর ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদানে তৈরি হয়েছে। এই কেন্দ্রটিতে ইংরেজি ব্যতীত অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় একাডেমিক সংস্থান তৈরির সুবিধা দেবে। হিন্দি এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষাগুলির ব্যবহার সহজ করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলির বিস্তারকে সক্ষম করবে।
আরও পড়ুন:
করোনায় কারণে পড়াশুনায় ইতি! স্কুলছুটদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ রাজ্য বিদ্যালয়ের
পাশাপাশি, আইআইটি কানপুরের বিশিষ্ট প্রাক্তন ছাত্র সুধাকর কেশবনের অবদানে 'চন্দ্রকান্ত কেশবন সেন্টার ফর এনার্জি পলিসি অ্যান্ড ক্লাইমেট সলিউশনস' তৈরি হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ভারতকে প্রযুক্তির বিকাশ, অভিযোজন এবং বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলবে এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা ও গবেষণা।
এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে আইআইটি কানপুরকে পুরোপুরি কার্বনমুক্ত করে তুলবে। এটি ক্যাম্পাসের মধ্যে বিদ্যুৎ খরচ, সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, জল এবং বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা ও পড়াশুনার সুযোগ দেবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'