দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'ছাগলের পেটে ছিল না জানি কি ফন্দি' সুকুমার রায় যথার্থই বলেছিলেন। এই ছাগলরা মোটেও ব্যাকরণ মানে না। সহবতেরও ধার ধারে না। ওই যে কথায় বলে না, ‘ছাগলে কি না খায়!’ এই পেটপুজো করতে গিয়েই শেষমেশ ফাঁদে পড়েছে দু’টো ছাগল। অন্যের বাগান থেকে গাছ চুরি করে খেতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছে। পরিণতি? হাজতবাস।
ঘটনা তেলঙ্গানার হুজুরাবাদের। ‘গাছ লাগাও, প্রাণ বাঁচাও’ কর্মসূচিতে একটা গোটা এলাকা জুড়ে গাছের চারা পুঁতেছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ছোট বাগান মতো বানিয়ে তাতেও ফটাফট গাছ লাগানো চলছিল। অভিযোগ, দুষ্টু ছাগল দুটো চুপিচুপি গিয়ে হানা দেয় সেই বাগানে। আশপাশে সতর্ক দৃষ্টি দিয়ে, মানুষজনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কচরমচর করে গাছ চিবোচ্ছিল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্তার দাবি, হাফের বেশি বাগান সাফ করে দিয়েছিল তারা। মুখে খাবার সমেত ছাগল দুটোকে হাতেনাতে ধরা হয়।
সংগঠনের আরেক আধিকারিকের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, "৯০০-র বেশি গাছ লাগিয়েছিলাম আমরা। ২৫০-র বেশি গাছ একেবারে সাবাড় করে দিয়েছে ওই দুই ছাগল। রাতের আঁধারে চুপিচুপি এসে গাছ খেয়ে যেত। দিনের বেলাও চুরি করতে গিয়েছিল। আমরা ধরে পুলিশে দিয়েছি। "
জেল থেকে অবশ্য ছাড়া পেয়েছে ওই দুই অপরাধী। ১০০০ টাকা ফাইন দিয়ে ছাগল দু’টি ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে তাদের মালিক। তাকে চোখ রাঙিয়েও হুমকিও দিয়েছেন সংগঠনের কর্তারা। আর যদি ছাগল গাছ গাছ চুরি করে খায়, তাহলে ছাগলের সঙ্গে সঙ্গে তার মালিককেও পুলিশে দেওয়া হবে।