
শেষ আপডেট: 12 December 2022 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি : স্ত্রীর শখ ছিল কচ্ছপ আর টিয়া পাখি পোষার ( Tortoise and Parrot Rescue ) । শখ পুরণও করেছিলেন স্বামী ( Husband Arrested )। কিন্তু সেই কচ্ছপের ছবি ফেসবুকে পোস্ট ( Facebook Post ) করাই কাল হল দত্ত দম্পত্তির।
ভাইরাল হওয়া পোস্ট নজরে আসে বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের অফিসার সঞ্জয় দত্তের। রবিবার বিকেলে ওই দম্পতির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কচ্ছপের ছানা ও সঙ্গে টিয়াপাখি উদ্ধার করে বনদফতর। গ্রেফতার করা হয় বাপি দত্তকে। সোমবার দুপুরে তাঁকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হয়।
শিলিগুড়ি হাকিমপাড়ার বাসিন্দা বাপি। পেশায় তিনি একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী। তাঁর স্ত্রী একজন পেট লাভার। সম্প্রতি পোষার জন্য কচ্ছপের ছানা এবং টিয়া পাখি কিনে দেওয়ার জন্য স্বামীর কাছে আবদার করেন। অভিযোগ, স্ত্রীর শখ পূরণ করতে শিলিগুড়ির বাজারে গিয়ে কচ্ছপ আর টিয়া পাখি কিনে আনেন বাপি। এরপর সেগুলিকে ঘরে সাজিয়ে রেখে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। মুহূর্তে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। বাপি বলেন, “আমাকে আমার স্ত্রী অনুরোধ করেছিল কচ্ছপ আর টিয়াপাখি কিনে এনে দিতে। আমি ওর শখ পূরণ করেছিলাম। এখন সেটাই কাল হল।”
আবাস যোজনার সার্ভের চাপে মানসিক অবসাদ! আশাকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে উত্তেজনা
বাপির স্ত্রী মিতা বলেন, “আমরা পেট লাভার। আমার বাড়িতে মাছ, পাখি ইত্যাদি রয়েছে। আমি জানতে পেরেছিলাম শিলিগুড়ি শহরের পেট শোরুম গুলিতে কচ্ছপ, টিয়া পাখি ইত্যাদি বিক্রি করা হয়। কিন্তু এগুলো বাড়িতে এনে পুষলে বন দফতর এসে আমাদের গ্রেফতার করবে তা আমার জানা ছিল না।”
রেঞ্জ অফিসার সঞ্জয় দত্ত জানান, এই দম্পতি ইন্ডিয়ান টেন্ট টার্টেল এবং টিয়াপাখি বাড়িতে পুষছিলেন। যা বেআইনি। এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার কাছ থেকে তিনি এগুলি কিনেছিলেন, সেই ব্যবসায়ীর খোঁজ চলছে।
এদিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী মৃন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়।