
শেষ আপডেট: 7 January 2020 17:14
জেএনইউতে ছাত্রদের উপরে হামার প্রতিবাদে সরব হয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলি। বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে ট্রেন চালানো, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের কর্পোরেটাইজেশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণের প্রতিবাদ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলি। একটি বিবৃতিতে ধর্মঘটীরা দাবি করেছে, দেশের ২৫ কোটি শ্রমজীবী এই ধর্মঘটে সাড়া দেবেন।
ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (এআইবিইএ)। তাদের সঙ্গে ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (এআইবিওএ), ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (বিইএফআই), ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (আইএনবিইএফ) এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অফিসার্স কংগ্রেস (আইএনবিওসি)।
ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক অবশ্য স্টক এক্সচেঞ্জে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে এই ধর্মঘটের তেমন কোনও প্রভাব তাদের ব্যাঙ্কে পড়বে না। তাদের ব্যাঙ্কের অতি অল্প সংখ্যক কর্মী এই ধর্মঘটে যোগ দিচ্ছেন। তাই ব্যাঙ্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে অতি নগণ্য প্রভাব পড়বে।
ব্যাঙ্ক অফ বরোদা দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্ক, তাদের বহু কর্মীই এই ধর্মঘটে যোগ দেওয়ায় এই ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখায় পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। পরিষেবা বিঘ্নিত হবে বলে আশঙ্কা করছে কানাড়া ব্যাঙ্কও কারণ কর্মী ও আধিকারিক – উভয়েই এই ধর্মঘটে যোগ দিচ্ছেন। জনস্বার্থে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক জানিয়ে দিয়েছিল যাতে গ্রাহকরা ধর্মঘটের আগেই লেনদেন সেরে নেন।
পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে পরিবহণের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে, এই দুই রাজ্যে শ্রমিক সংগঠন বেশ শক্তিশালী। পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সাধারণ দিনে যত সরকারি গাড়ি পথে থাকে বুধবার তার চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি গাড়ি নামানো হবে। সকাল থেকে কন্ট্রোল রুমে থাকবেন পরিববহণমন্ত্রী নিজে। বনধের ইস্যুগুলোকে সমর্থন করলেও বনধকে সমর্থন করছে না রাজ্য সরকার। রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য কোনও গাড়ির ক্ষতি হলে ছ’লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেরলে বনধের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে পর্যটনকে। কেরল ট্রাভেল মার্টের অনুরোধেই তা করা হয়েছে।