চিঠি দিয়ে বাংলার সরকারকে ভয় দেখানো হচ্ছে, সাংবাদিক বৈঠক ডেকে অভিযোগ তৃণমূলের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত পরিণত হল কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতে। ন্যাজাটের ঘটনা নিয়ে শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন মুকুল রায়। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে
শেষ আপডেট: 9 June 2019 16:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত পরিণত হল কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতে। ন্যাজাটের ঘটনা নিয়ে শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন মুকুল রায়। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নবান্নকে একটি অ্যাডভাইজারি নোট পাঠানো হয়। রাতে সেই নোটের বিরোধিতা করেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় তোপ দাগল তৃণমূল।
এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই সাংবাদিক বৈঠক থেকেই তৃণমূলের তরফে পার্থবাবু বলেন, "চিঠি পাঠিয়ে বাংলার সরকারকে ভয় দেখাতে চাইছে কেন্দ্র। কিন্তু মানুষ এটা মেনে নেবে না।" তাঁর কথায়, "বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে অপমান করা হয়েছে এই চিঠি দিয়ে। সরকারকে অপমান মানে বাংলার মানুষের অপমান।"

বাংলায় আইনশৃঙ্খলা লাটে উঠেছে বলে বহুদিন ধরেই সরব গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সন্দেশখালির ঘটনার পর সেই সুরকে আরও চড়িয়েছে বিজেপি। সে ব্যাপারে এ দিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে শাসক নেতারা বলেন, "ওরা আমাদের কর্মীদের খুন করছে, পুলিশকে রক্তাক্ত করছে আর আইনশৃঙ্খলার অবনতির কথা বলছে। আমরা কিছুতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে দেব না।"
শনিবারের ঘটনার উত্তাপ সারা দিন চলেছে রবিবার। দুই বিজেপি কর্মীর মরদেহ বসিরহাট হাসপাতাল থেকে কলকাতায় আনার পথে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিন জায়গায় পুলিশ আটকায় দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহাদের কনভয়। মিনাখাঁ থানার সামনে আটকানো হলে রাস্তায় সৎকার করবে বলে চিতা সাজাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কলকাতার পরিবর্তে সন্দেশখালির দিকে মরদেহ নিয়ে যায় বিজেপি। সোমবার ১২ ঘণ্টার বসিরহাট মহকুমা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। বুধে ডেকেছে লালবাজার অভিযান। রাজ্য রাজনীতি যখন ফুটছে তখন অমিত শাহের দফতরের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত শুরু করে দিল নবান্ন।