বাড়ির ভিত গড়ার জন্য মাটি কোপাতেই প্রাচীন সুড়ঙ্গের খোঁজ, হইচই ভাতারে
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বাড়ির ভিত গড়তে গর্ত খোঁড়ার কাজ চলছিল। ফুট পাঁচেক গর্ত করার পরেই পাওয়া গেল সুড়ঙ্গের সন্ধান। তাই ঘিরে রীতিমতো হুলুস্থুল কাণ্ড এলাকায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাতারের মাহাতা গ্রামে এমন খবর সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যায় পুল
শেষ আপডেট: 8 February 2020 09:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বাড়ির ভিত গড়তে গর্ত খোঁড়ার কাজ চলছিল। ফুট পাঁচেক গর্ত করার পরেই পাওয়া গেল সুড়ঙ্গের সন্ধান। তাই ঘিরে রীতিমতো হুলুস্থুল কাণ্ড এলাকায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাতারের মাহাতা গ্রামে এমন খবর সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যায় পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে। রাতেই প্রতিনিধিদল পাঠান ভাতারের বিডিও। পুলিশ পৌঁছে বন্ধ করে নির্মাণ।
জানা গিয়েছে, বাংলা আবাস যোজনায় এক কাঠা জমির উপর বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন মাহাতা গ্রামের আপেল মল্লিক। গ্রামের ইদগাহের পাশেই নতুন বাড়ির ভিত তৈরির জন্য মাটি খোঁড়া হচ্ছিল শুক্রবার। ফুট পাঁচেক গর্ত করার পরেই একটি সুরঙ্গ দেখতে পাওয়া যায়। তারপর আরও মাটি সরাতেই দেখা যায় ফুট সাতেক লম্বা ও ফুট চারেক চওড়া একটি ঘরের মত ঘেরা জায়গা। তার একদিকের দেওয়ালে একটি খোপ।

বিকেল নাগাদ বিষয়টি জানাজানি হতেই হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। ঘিরে ফেলে জায়গাটি। বন্ধ করে দেওয়া হয় মাটি কোপানোর কাজ। রাতেই ভাতারের বিডিও শুভ্র চট্টোপাধ্যায় মাহাতা গ্রামে প্রতিনিধিদল পাঠান। তিনি বলেন, “এই এলাকাটি অত্যন্ত প্রাচীন একটি জনপদের অংশ। সে কারণে এই নির্মাণ কোনও ঐতিহাসিক স্থাপত্যের অংশ কি না তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। তাই ওখানে নির্মাণ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।”
মাহাতা গ্রামের সুড়ঙ্গটি কোনও প্রাচীন স্থাপত্যের অংশ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরাও। ইতিহাসবিদ সর্বজিৎ যশ বলেন, “এই সুড়ঙ্গটি আড়াইশো থেকে তিনশো বছরের প্রাচীন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এর কিছু অংশে জৈন স্থাপত্যের প্রভাব রয়েছে। ইংরেজ আমলের প্রথম দিকে নির্মিত কোনও সুড়ঙ্গও হতে পারে এটি। সবটাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যাবে।”