শেষ আপডেট: 26 December 2019 16:50
পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা মূর্তি নদীর ধারে শুটিং করছিলাম। আমাদের বলা হয়েছিল যে, নদীর ওপার থেকে জঙ্গল শুরু এবং এপারের অংশ টেরিটোরিয়াল। ওপারে ড্রোন ওড়ানোর অনুমতি ছিল না। এপারে, যেখানে লোকজন বনভোজন করতে আসেন, নানা ধরনের দোকান ও হোটেল আছে আমরা সেই দিকেই শুটিং করছিলাম। ড্রোন উড়িয়ে শুটিং শুরু করতেই দু’জন বনকর্মী এসে আমাদের বলেন যে ড্রোন ওড়ানো যাবে না। ওঁরা বলেন যে মূর্তি নদীর এপার টেকনিক্যালি জঙ্গল না হলেও তা জঙ্গল এলাকার মধ্যেই পড়ে। তাই নিয়মটি মূর্তি নদীর এপারেও প্রযোজ্য। এই নিয়মটি আমাদের জানা সম্ভব ছিল না। আমি কোঅর্ডিনেটরকে নিয়মটি জিজ্ঞাসা করি, উনিও ধন্ধে পড়ে যান। ওঁরা বলামাত্রই আমরা অবশ্য ড্রোনটি নামিয়ে নিয়েছিলাম। শুটিং বন্ধ করিনি, তবে ড্রোনের শুটিং বন্ধ করে দিই।”
ওয়াইল্ডলাইফ ওয়ার্ডেন সীমা চৌধুরী জানান, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তাঁরা ড্রোন উড়িয়ে শুটিং বন্ধ করার নির্দেশ দেন। যাঁরা শুটিং করছিলেন তাঁরাও সঙ্গে সঙ্গেই সেই নির্দেশ মেনেও নেন। ওখানে যে শুটিং করা হচ্ছিল ড্রোন ব্যবহার করে, সেই ভিডিও বন দফতরের হাতে এসেছে। তাঁরা সেটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এব্যাপারে যা পদক্ষেপ করার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই করবেন।
সন্ধ্যায় জেলা বনাধিকারিকের সঙ্গে শুটিং ইউনিটের কথা হয়। ড্রোন ওড়ানোর জন্য তখন জরিমানা দাবি করা হয়। শুটিং ইউনিটের পক্ষ থেকে তখনই জানিয়ে দেওয়া হয় যে, অনিচ্ছাকৃত ভাবে ভুল করে থাকলেও তাঁরা জরিমানা দিতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবারই তাঁরা জরিমানা মিটিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সৃজিত।
তা হলে শুটিং কী ভাবে হবে? সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের কথায়, “ওঁরা জানিয়েছেন, ড্রোনের শট নিতান্তই নিতে হলে দিল্লি থেকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। আমরা সেজন্য আবেদন করছি। অনুমতি পেলে আমরা বাকি শটগুলি নেব, যদি এত তাড়াতাড়ি অনুমতি না পাই তা হলে অন্য ভাবে আমাদের শুটিং করতে হবে, ড্রোনের শটগুলির বদলে অন্য শট নিতে হবে।”