
শেষ আপডেট: 28 February 2023 08:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলা নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose) কড়া বিবৃতি দিয়েছিলেন রবিবার সন্ধ্যায়। তা নিয়ে তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগোবাংলা’র সম্পাদকীয়তে কার্যত তুলোধনা করা হয়েছে রাজ্যপালকে। সরাসরি বলা হয়েছে, জগদীপ ধনকড়ের পথ অনুসরণ করছেন আনন্দ বোস। তবে ‘জাগোবাংলা’র সুর শোনা গেল না বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Speaker Biman Banerjee) গলায়। বরং রাজ্যপাল প্রশ্নে স্বতন্ত্র অবস্থান নিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ।
জানা গিয়েছে, নিশীথের কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন রাজ্যপাল। এই প্রসঙ্গে এদিন স্পিকার বলেছেন, ‘রাজ্যপাল তা চাইতেই পারেন। এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই।’
শুধু তাই নয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে স্পিকার এও বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে রাজ্যপালের কোনও বিরোধ নেই। বিধানসভার কাজ বাদ দিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনার কোনও জায়গা নেই। কোনও পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি, যেখানে মনে হতে পারে উনি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।’
অর্থাৎ, দল হিসাবে তৃণমূল আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও স্পিকার এখনও সেই পথে হাঁটলেন না। কিন্তু এটা যেমন ঠিক, তেমনই এও ঠিক যে বাংলায় রাজভবনের হাবভাবে স্পিকার যে খুব খুশি তাও নয়। সরাসরি আনন্দ বোসের উদ্দেশে কোনও মন্তব্য না করলেও স্পিকার সম্প্রতি এও বোঝাতে চেয়েছেন, রাজভবন বিধানসভার সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ রাখছে না।
কদিন আগেই রাজভবন থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় যে, উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত বিল নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়ে গিয়েছে। সরকার এই বিলটি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে ঠারেঠোরে স্পিকার বলেছিলেন, রাজভবন থেকে বিধানসভাকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। স্পিকারের এও মত যে, রাজ্যপাল কোনও বিলে অনুমতি দিতে ৬ মাসের বেশি সময় নিলে ধরে নেওয়া উচিত যে তাঁর সায় রয়েছে। এই মর্মে সংসদে বিল পাশ হওয়াও উচিত।
রাজভবনে জগদীপ ধনকড়ের সময় থেকেই দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন বিলে অনুমতি না দিয়ে তিনি মাসের পর মাস আটকে রাখছেন। নতুন রাজ্যপাল সে পথে হাঁটার আগে স্পিকার এই বার্তা দিতে চেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলায় পরিযায়ী শ্রমিক কত? রাজ্যের কাছে ১২ বছরে হিসেব চাইল হাইকোর্ট