বজ্রপাত রুখে দেবে! সোদপুরের স্কুলছাত্রের দুরন্ত আবিষ্কারে তাজ্জব গোটা দেশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি মরশুমের বর্ষায় বৃষ্টিতে ভেসেছে সারা বাংলা। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস থেকে শুরু করে লাগাতার বৃষ্টি, নিম্নচাপ, লেগেই আছে। চলতি মরশুমেই বজ্রপাতেও (Lightening) অনেকের মৃত্যু হয়েছে এ রাজ্যে। এবার সেই বজ্রবিদ্যুতের হাত থেকে সাধারণ মানু
শেষ আপডেট: 17 September 2021 02:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি মরশুমের বর্ষায় বৃষ্টিতে ভেসেছে সারা বাংলা। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস থেকে শুরু করে লাগাতার বৃষ্টি, নিম্নচাপ, লেগেই আছে। চলতি মরশুমেই বজ্রপাতেও (Lightening) অনেকের মৃত্যু হয়েছে এ রাজ্যে। এবার সেই বজ্রবিদ্যুতের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর উপায় খুঁজে বের করলেন সোদপুরের (Sodepur) স্কুলের এক ছাত্র। নাম রাজ ঘোষ (Raj Ghosh)।
অসমে পরীক্ষার হলে ছোট পোশাক! তরুণীকে পর্দায় মুড়ে দিলেন শিক্ষক
রাজের আবিষ্কৃত যন্ত্রের নাম বজ্রবহ (লাইটেনিং এরেসটার ইনস্ট্রুমেন্ট)। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রের এই কীর্তি সোদপুর দেশবন্ধু বিদ্যাপীঠ ফর বয়েজ স্কুলকে এনে দিয়েছে জাতীয় পুরস্কার।
কী আছে সেই যন্ত্রে? কীভাবেই বা সে কাজ করবে?
একটি লম্বা বাঁশের মাথায় সাইকেলের চাকার রিং এবং রিংয়ের চারপাশে লোহার পেরেক লাগানো এক যন্ত্র বজ্রবহ। বজ্রাঘাত রুখতে অন্যান্য যন্ত্রের তুলনায় এই যন্ত্র চারশো গুণ বেশি কাজ করবে বলে জানান সোদপুরের ওই স্কুলের শিক্ষক পশুপতি মণ্ডল। মূলত তাঁর উদ্যোগেই স্কুলে বজ্রাঘাত নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু হয়।
খুদে বিজ্ঞানী রাজ ঘোষের তৈরি করা এই বজ্রবহ যন্ত্র জেলা স্তর থেকে রাজ্য স্তর বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এক জায়গায় তা দ্বিতীয় পুরস্কারও পায়। এরপর জাতীয় স্তরে ভারত সরকারের ন্যশনাল সাইন্স কংগ্রেস আয়োজিত প্রদর্শনীতে রাজ তার এই প্রজেক্ট অনলাইনে নথিভূক্ত করেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের দিন ভারত সরকারের ডিপার্টমেন্ট অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি দফতর থেকে সোদপুর দেশবন্ধু বিদ্যাপীঠ ফর বয়েজ স্কুলকে বজ্রবহ যন্ত্র প্রদর্শনের জন্য দেওয়া হয় জাতীয় পুরস্কার।
স্কুলের এই পুরস্কার প্রাপ্তির খবর শুনেই ছাত্ররা বেজায় খুশি। স্কুলের শিক্ষকরাও গর্বিত ছোট্ট রাজের কীর্তিতে। তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে উক্ত পুরস্কার।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'