কচুশাক আর পান্তা খেয়ে, বেহারাদের কাঁধে চড়ে কৈলাসের পথে বসিরহাট রাজবাড়ির উমা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বসিরহাটের দুর্গাপুজোর (Durga Puja) অন্যতম আকর্ষণ টাকি পুবের রাজবাড়ির পুজো। প্রায় তিন শতাব্দী ধরে এই দুর্গাপুজো হচ্ছে। আগামী বছর ৩০০ বছরে পা দেবে এই ঐতিহ্যমন্ডিত দুর্গা পুজো।
টাকি রাজবাড়ি (পুবের) হাত বদল হলেও দুর্গাপুজ
শেষ আপডেট: 15 October 2021 17:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বসিরহাটের দুর্গাপুজোর (Durga Puja) অন্যতম আকর্ষণ টাকি পুবের রাজবাড়ির পুজো। প্রায় তিন শতাব্দী ধরে এই দুর্গাপুজো হচ্ছে। আগামী বছর ৩০০ বছরে পা দেবে এই ঐতিহ্যমন্ডিত দুর্গা পুজো।
টাকি রাজবাড়ি (পুবের) হাত বদল হলেও দুর্গাপুজোর আচার-অনুষ্ঠান আজও আগের মতোই আছে। বিজয়া দশমীর দিন এবারেও বসিরহাটের মধ্যে প্রথম বিসর্জন হল এই পারিবারিক দুর্গা পুজোর। এরপর এলাকার বাকি বারোয়ারি দুর্গা পুজোর বিসর্জন শুরু হয়।
পুজোর পর ধেয়ে আসছে জোড়া নিম্নচাপ, দ্বাদশী থেকেই দুর্যোগ শুরু দক্ষিণবঙ্গে
সাধারণ মানুষের বিশ্বাস বিজয়া দশমীর দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের মাধ্যমে আবার শ্বশুরবাড়ি কৈলাসের উদ্দেশে রওনা হন দেবী দুর্গা। রাজবাড়িতে কচুশাক ও আলু ভাজা দিয়ে পান্তা ভাত খেয়ে কৈলাসের পথে রওনা দিলেন মা। পুরনো নিয়ম মেনে ঠাকুরদালান থেকে ইছামতীর তীর, প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ২৪ জন বেহারা কাঁধে করে নিয়ে গেলেন এক চালা প্রতিমাকে।

অন্যান্য বছর বিজয়া দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে ইছামতীর নদীর তীরে বিপুল জনসমাগম হয়। কিন্তু এবার করোনা সংক্রমনের কথা মাথায় রেখে ইছামতীতে দুই বাংলার একসঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। তাই এবার আর সেই আগের মতো ভিড় দেখতে পাওয়া যাবে না। তবে স্থানীয় মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'