
শেষ আপডেট: 25 May 2023 07:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বুধবার রাত তখন দশটা। আচমকা জ্যান্ত একটি চন্দ্রবোড়া সাপ নিয়ে হাসপাতালে হাজির হলেন কয়েকজন (Patient arrived with poisonous snake)। সঙ্গে বছর ষাটেকের এক অসুস্থ প্রৌঢ়। এমন ঘটনায় তাজ্জব হয়ে যান হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাদের পরিজনেরা। চন্দ্রবোড়ার ছোবলে অসুস্থ ওই প্রৌঢ়ের তড়িঘড়ি চিকিৎসা শুরু করেন চিকিৎসকরা।
ভাঙড় থানার মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা নিমাই মাখাল। বুধবার রাতে সবজি খেতে জল দিতে গিয়েছিলেন। অন্ধকারে তাঁর বাঁ পায়ে চন্দ্রবোড়া সাপ ছোবল মারে। যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন তিনি। পরিবারের লোকজন দৌড়ে আসেন। নিমাইবাবুকে উদ্ধারের পরেই মাঠের মধ্যে লাইট জ্বেলে কী সাপ ছোবল দিয়েছে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন। কয়েক মিনিটের মধ্যে সাপটিকে ধরেও ফেলেন। দেরি না করে তড়িঘড়ি স্থানীয় কালিকাপুর হাসপাতালে (Canning Hospital) নিয়ে যাওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। সেখানে ১০ টি এভিএস দেওয়া হয়। তারপরেই পাঠানো হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে আরও ১০টি এভিএস দেওয়া হয়।

নিমাইবাবু বলেন, “সাপে ছোবল দিয়েছে বুঝতে পেরে চিৎকার করে পরিবারের লোকজনদের ডাকি। তারাই আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে চিকিৎসার জন্য। সাপটাকেও নিয়ে আসে। দেরি হলে বিপদ হতে পারত।”
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সর্প বিশেষঞ্জ চিকিৎসক ডাঃ সমরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘সাপে ছোবল দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসায় চিকিৎসার সুবিধা হয়েছে। সকলের কাছে সচেতন হওয়ার অনুরোধ করব। আর সাপ ধরে আনা কিংবা সাপ মেরে আনা একেবারেই উচিৎ নয়। কারণ সাপ ধরে আনলে আবারও বিপদের সম্ভাবনা থাকে। তারপর সাপ পরিবেশবান্ধব। তাকে মারা উচিৎ নয়। বরং সাপে ছোবল দিলে চেনা জরুরি। হাতের কাছে মোবাইল ফোন থাকলে ছবি তুলে নিন। তাতে অনেক সুবিধা হবে।’’
প্রায় ৩ কোটির ২০০০ টাকার নোট বদলাতে যেতেই বেরোল পরপর জাল নোট! গ্রেফতার ব্যবসায়ীর ছেলে