
শেষ আপডেট: 31 July 2023 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো, আসানসোল: তখনও সূর্যের আলো ফোটেনি। সোমবার ভোররাত। অন্য দিনের মতো পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের ঝাড়খণ্ডের মধুপুর স্টেশনে এসে দাঁড়িয়েছে আসানসোলগামী সাউথ বিহার এক্সপ্রেস (South Bihar Express)। প্লাটফর্মে ট্রেনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন আরপিএফের হেড কনস্টেবল আর পি সিং ও কনস্টেবল এ কে যাদব। একঝাঁক টিয়া পাখির (Parrot) কলরব থমকে দিল তাঁদের গতিপথ!
শব্দ অনুধাবন করে ট্রেনের নীচ থেকে খাঁচাবন্দি ৮২টি টিয়া উদ্ধার করে আরপিএফ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা সেখানে থাকা যাত্রীদের কাছে জানতে চান, এই খাঁচা কার? যাত্রীরা অবশ্য জানিয়ে দেন, তাঁরা এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। এরপরই খাঁচাবন্দি ৮২টি টিয়াকে উদ্ধার করে স্টেশনে নিয়ে যান আরপিএফ কর্তারা। পরে আরপিএফের তরফে সেগুলি বন দফতরে স্থানীয় আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
আরপিএফের দাবি, পাখিগুলিকে পাচারের জন্যই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে পাচারকারীরা যাত্রীদের ভিড়ে মিশে থাকায় আলাদা করে তাদের চিহ্নিত করা যায়নি। আসানসোল রেল ডিভিশনের সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার রাহুল রাজ বলেন, এর আগেও আসানসোলে যাত্রী ট্রেন থেকে এইরকমভাবে প্রচুর টিয়া পাখি উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই সব পাখি হয় উত্তরপ্রদেশ বা বিহার থেকে এরাজ্যে আনা হয়েছিল বিক্রি করার জন্য।
বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী, পাখি ধরা, খাঁচায় ভরে রাখা বা বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয়। তারপরও পাখিকে খাঁচাবন্দি করে বিক্রি করে থাকেন চোরা শিকারিরা। এই বিষয়ে জনসাধারণের আরও সচেতন হওয়া জরুরি বলেই মনে করেন রেল কর্তারা।
আরও পড়ুন: জেলবন্দি পার্থর প্রসঙ্গ মনে করিয়ে রাজ্যপাল বললেন, ‘দুর্নীতি বরদাস্ত করব না’